নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিটি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা করতে গিয়ে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। মুর্শিদাবাদে তিনটি সাংগঠনিক জেলায় অর্ধেকের বেশি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পারল না গেরুয়া শিবির। গোটা জেলার মধ্যে বহরমপুরে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী সংগঠন রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। বহরমপুর বিধানসভায় জয় পেয়েছে বিজেপি। অথচ এই সাংগঠনিক জেলাতেই মাত্র এক তৃতীয়াংশ মণ্ডলে সভাপতি বাছাই করতে পেরেছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। অন্য সাংগঠনিক জেলাতেও বিজেপি সংগঠনের বেহাল অবস্থা।
Advertisement
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলায় ২৯টি মণ্ডল রয়েছে। যার মধ্যে ১০টি মণ্ডলে সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলায় ৩৬টি মণ্ডল আছে। যার মধ্যে মাত্র ১৯টি মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষণা হয়েছে। ওই সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত মুর্শিদাবাদ বিধানসভাও বিজেপির দখলে আছে। এখানে অর্ধেক মণ্ডলে সভাপতির নাম ঘোষণা করায় কিছুটা মুখ রক্ষা হয়েছে তাদের। অপরদিকে, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় ৩৩টি মণ্ডলের মধ্যে ১৩টি মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে, সদ্য শেষ হয়েছে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান। জেলাজুড়ে বহু মানুষজনকে নতুন সদস্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। মোবাইল অ্যাপে নতুন সদস্যদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে খাতায় কলেমে জেলায় এক লক্ষ নতুন সদস্যপদ সংগ্রহ করতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি বলে দাবি করেন খোদ গেরুয়া শিবিরের নেতারাই। এবার মণ্ডল সভাপতি বাছতেই রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে নেতারা।
বিজেপি সূত্রের খবর, বহরমপুর সাংগঠনিক জেলায় ২৯টি মণ্ডল রয়েছে। যার মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে মাত্র ১০টি মণ্ডলের সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়। পাঁচটি মণ্ডল নতুন সভাপতি পেয়েছে। বাকি পাঁচটিতে পুরনোরাই রয়েছে। যে সব মণ্ডলে ৫১ শতাংশের উপর বুথে কমিটি গঠন হয়েছে সেখানেই মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়েছে। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, আমাদের ২৯টি মণ্ডলের মধ্যে আপাতত ১০টি মণ্ডলের সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ১৫টি মণ্ডলের প্রাথমিক নাম ঘোষণা করা হবে। এবার বয়স মাপকাঠিকে ভীষণভাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সৌমেন মণ্ডল বলেন, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলায় ৩৬টি মণ্ডলের মধ্যে ১৯টিতে সভাপতির নাম ঘোষণা হয়েছে। বাকিগুলি সংখ্যালঘু এলাকা। ওখানে আমাদের সংগঠন দুর্বল। আমরা চেষ্টা করছি। খুব শীঘ্রই আরও নাম ঘোষণা করা হবে।
বিজেপির রাজ্য এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্য সুজিত দাস বলেন, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় ৩৩টি মণ্ডলের মধ্যে ১৩টি মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যে সমস্ত মণ্ডল দলের গাইডলাইন মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোয়ালিফাই করতে পারেনি, সেগুলিকে বাদ রাখা হয়েছে। ওই নাম পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অশোক দাস বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপি বলে কিছু নেই। জেলার অধিকাংশ মণ্ডলে সভাপতি খুঁজে পাবে কী করে ওদের তো লোকই নেই। লোকসভা ভোটে ওদের ফল খারাপ হয়েছে। আগামী বিধানসভা ভোটে ওদের পার্টিটাই জেলায় উঠে যাবে। হিন্দু-মুসলিম করে জেলায় রাজনৈতিক মাটি পাবে না বিজেপি।
এদিকে, সদ্য শেষ হয়েছে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান। জেলাজুড়ে বহু মানুষজনকে নতুন সদস্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। মোবাইল অ্যাপে নতুন সদস্যদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে খাতায় কলেমে জেলায় এক লক্ষ নতুন সদস্যপদ সংগ্রহ করতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি বলে দাবি করেন খোদ গেরুয়া শিবিরের নেতারাই। এবার মণ্ডল সভাপতি বাছতেই রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে নেতারা।
বিজেপি সূত্রের খবর, বহরমপুর সাংগঠনিক জেলায় ২৯টি মণ্ডল রয়েছে। যার মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে মাত্র ১০টি মণ্ডলের সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়। পাঁচটি মণ্ডল নতুন সভাপতি পেয়েছে। বাকি পাঁচটিতে পুরনোরাই রয়েছে। যে সব মণ্ডলে ৫১ শতাংশের উপর বুথে কমিটি গঠন হয়েছে সেখানেই মণ্ডল সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়েছে। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, আমাদের ২৯টি মণ্ডলের মধ্যে আপাতত ১০টি মণ্ডলের সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ১৫টি মণ্ডলের প্রাথমিক নাম ঘোষণা করা হবে। এবার বয়স মাপকাঠিকে ভীষণভাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সৌমেন মণ্ডল বলেন, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলায় ৩৬টি মণ্ডলের মধ্যে ১৯টিতে সভাপতির নাম ঘোষণা হয়েছে। বাকিগুলি সংখ্যালঘু এলাকা। ওখানে আমাদের সংগঠন দুর্বল। আমরা চেষ্টা করছি। খুব শীঘ্রই আরও নাম ঘোষণা করা হবে।
বিজেপির রাজ্য এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্য সুজিত দাস বলেন, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় ৩৩টি মণ্ডলের মধ্যে ১৩টি মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যে সমস্ত মণ্ডল দলের গাইডলাইন মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোয়ালিফাই করতে পারেনি, সেগুলিকে বাদ রাখা হয়েছে। ওই নাম পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অশোক দাস বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপি বলে কিছু নেই। জেলার অধিকাংশ মণ্ডলে সভাপতি খুঁজে পাবে কী করে ওদের তো লোকই নেই। লোকসভা ভোটে ওদের ফল খারাপ হয়েছে। আগামী বিধানসভা ভোটে ওদের পার্টিটাই জেলায় উঠে যাবে। হিন্দু-মুসলিম করে জেলায় রাজনৈতিক মাটি পাবে না বিজেপি।



