সংবাদদাতা, পতিরাম: বিদ্যুৎ চুরি করে মোটর পাম্প চালিয়ে জমিতে জল দিচ্ছিলেন এক কৃষক। বিষয়টি হাতেনাতে ধরে ফেলেন বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির একাধিক কর্মী। অভিযোগ,মোটর পাম্প বাজেয়াপ্ত করে প্রথমে দু’লক্ষ টাকা জরিমানার ভয় দেখানো হয়। এরপরেই ৪০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে মিটমাট করে ফিরিয়ে দেওয়া হয় মোটর পাম্প। খোদ বিদ্যুৎ কোম্পানির একাধিক কর্মীর বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে বালুরঘাট থানার পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছে বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি। সংস্থার চারজনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির পতিরাম স্টেশন ম্যানেজার কল্যাণ মাহাত এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। এনিয়ে বালুরঘাট থানার পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
বালুরঘাট সদর ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ বলেন, আমরা বিদ্যুৎ কোম্পানির তরফে একটি অভিযোগ পেয়েছি। দু’জনকে একটি কাজের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল। তারা সেখানে গিয়ে কিছু অনৈতিক কাজ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির বালুরঘাট ডিভিশনের ম্যানেজার শুভময় সরকার বলেন, এধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
বিদ্যুৎ কোম্পানি সূত্রে খবর, বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের খাসপুর বেগুনবাড়ি এলাকার এক কৃষক অবৈধভাবে জলের পাম্প মেশিন চালাচ্ছিলেন। বিদ্যুৎ লাইন থেকে সরাসরি হুকিং করে ওই জল দেওয়া হচ্ছিল। এনিয়ে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর ওই দপ্তরের একাধিক কর্মী একটি গাড়ি নিয়ে ওই এলাকায় অভিযানে যায়। ওই কৃষকের জলের পাম্প মেশিন বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। অভিযোগ এর পরেই ওই কৃষককে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে বলে ভয় দেখানো হয়। কৃষক পরবর্তীতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে তাঁদের দিলে জলের পাম্প মেশিন দিয়ে দেওয়া হয়। এনিয়ে খবর যায় পতিরাম স্টেশনের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারের কাছে। এনিয়ে প্রথমে দপ্তরের তরফেই তদন্ত করে দেখা হয়। দেখা যায়, কোনওরকম জরিমানা বা পদক্ষেপ ছাড়াই ৪০ হাজার টাকা নিয়ে অবৈধভাবে পাম্পটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এনিয়ে সরাসরি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিদ্যুৎ কোম্পানি।
বিদ্যুৎ কোম্পানি সূত্রে খবর, বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের খাসপুর বেগুনবাড়ি এলাকার এক কৃষক অবৈধভাবে জলের পাম্প মেশিন চালাচ্ছিলেন। বিদ্যুৎ লাইন থেকে সরাসরি হুকিং করে ওই জল দেওয়া হচ্ছিল। এনিয়ে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর ওই দপ্তরের একাধিক কর্মী একটি গাড়ি নিয়ে ওই এলাকায় অভিযানে যায়। ওই কৃষকের জলের পাম্প মেশিন বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। অভিযোগ এর পরেই ওই কৃষককে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে বলে ভয় দেখানো হয়। কৃষক পরবর্তীতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে তাঁদের দিলে জলের পাম্প মেশিন দিয়ে দেওয়া হয়। এনিয়ে খবর যায় পতিরাম স্টেশনের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারের কাছে। এনিয়ে প্রথমে দপ্তরের তরফেই তদন্ত করে দেখা হয়। দেখা যায়, কোনওরকম জরিমানা বা পদক্ষেপ ছাড়াই ৪০ হাজার টাকা নিয়ে অবৈধভাবে পাম্পটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এনিয়ে সরাসরি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিদ্যুৎ কোম্পানি।



