সংবাদদাতা, পতিরাম: তপন ব্লকের রামপাড়া চেঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস যোজনা থেকে নাম বাদ পড়েছে গ্রামের একাধিক উপভোক্তার। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও বাদ দিয়ে পাশের সংসদের পঞ্চায়েত সদস্য কাটমানি নিয়ে অন্য নাম ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এমন অভিযোগে ক্ষোভের মুখে পড়লেন দক্ষিণ লক্ষ্মীপুরের পঞ্চায়েত সদস্য সিরাজুল হক।
Advertisement
অভিযোগ, ওই পঞ্চায়েত সদস্য বিক্ষোভকারী এক মহিলাকে গালিগালাজ করে শ্লীলতাহানি করেন। পাল্টা তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে আবার তাঁর দলেরই এক পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী দলবল নিয়ে মারধর করেছেন।
গত সোমবার দুপুরে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় পঞ্চায়েতে। মঙ্গলবার ওই পঞ্চায়েত সদস্য তপন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছেন মহিলাও। তপন থানার পুলিস জানিয়েছে, দুই তরফেই মামলা শুরু হয়েছে। সিরাজুল হক বলেন, পঞ্চায়েতে কাজ করার সময় কয়েকজন মহিলা ও দলের লোকজন আমার উপর চড়াও হয়। এই ঘটনায় দলের এক সদস্যার স্বামী ও আরও দু’জনের নামে লিখিত অভিযোগ করেছি। যে মহিলা আমার নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁকে আমি চিনি না। সব ভিত্তিহীন। এদিকে অভিযুক্ত পাশের সংসদের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা হাফেজা বিবির স্বামী হিজবুল আলী এবং তাঁর এক সঙ্গী অভিযুক্ত মনিরুল হক বলেন, সিরাজুল কাটমানি নিয়ে আমাদের সংসদের কিছু নামের পরিবর্তে নিজের পছন্দের লোকদের ঢুকিয়েছিল। বিষয়টি মহিলারা জানতে পেরেই পঞ্চায়েতে বলতে আসেন। তাঁদের গালিগালাজ, ধাক্কাধাক্কি করে সিরাজুল। তখন তাকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দিয়েছিলাম। কেউ ওকে মারধর করেনি। এদিকে আক্রান্ত মহিলা বলেন, বন্যার পর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। আমাদের এলাকার কয়েকজনের নাম মেম্বার বাদ দিয়েছে। বিষয়টি বলতে গেলে আমাকে ধাক্কাধাক্কি ও শ্লীলতাহানি করে। তপনের বিডিও তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গত সোমবার দুপুরে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় পঞ্চায়েতে। মঙ্গলবার ওই পঞ্চায়েত সদস্য তপন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছেন মহিলাও। তপন থানার পুলিস জানিয়েছে, দুই তরফেই মামলা শুরু হয়েছে। সিরাজুল হক বলেন, পঞ্চায়েতে কাজ করার সময় কয়েকজন মহিলা ও দলের লোকজন আমার উপর চড়াও হয়। এই ঘটনায় দলের এক সদস্যার স্বামী ও আরও দু’জনের নামে লিখিত অভিযোগ করেছি। যে মহিলা আমার নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁকে আমি চিনি না। সব ভিত্তিহীন। এদিকে অভিযুক্ত পাশের সংসদের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা হাফেজা বিবির স্বামী হিজবুল আলী এবং তাঁর এক সঙ্গী অভিযুক্ত মনিরুল হক বলেন, সিরাজুল কাটমানি নিয়ে আমাদের সংসদের কিছু নামের পরিবর্তে নিজের পছন্দের লোকদের ঢুকিয়েছিল। বিষয়টি মহিলারা জানতে পেরেই পঞ্চায়েতে বলতে আসেন। তাঁদের গালিগালাজ, ধাক্কাধাক্কি করে সিরাজুল। তখন তাকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দিয়েছিলাম। কেউ ওকে মারধর করেনি। এদিকে আক্রান্ত মহিলা বলেন, বন্যার পর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। আমাদের এলাকার কয়েকজনের নাম মেম্বার বাদ দিয়েছে। বিষয়টি বলতে গেলে আমাকে ধাক্কাধাক্কি ও শ্লীলতাহানি করে। তপনের বিডিও তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



