সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: রবিবার শিলিগুড়ি প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগের দ্বিতীয় দিনে সূর্যনগর ফ্রেন্ডস ইউনিয়ন এবং ওয়াইএমএ’র খেলা অমীমাংসিতভাবে (৩-৩) শেষ হয়। প্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও জিততে পারল না ওয়াইএমএ। এদিকে, এই লিগ পরিচালনার জন্য ঘরের রেফারিদের ‘ব্রাত্য’ করার সিদ্ধান্তে বিতর্কে জড়াল শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ (এসএমকেপি)। ঘরের রেফারিদের উপেক্ষার সিদ্ধান্তের সমালোচনায় সরব হয়েছেন শহরের প্রাক্তন খেলোয়াড়রা।
Advertisement
এসএমকেপি’র সচিব কুন্তল গোস্বামী বলেন, দেশ-বিদেশ সর্বত্রই ফুটবল রেফারি নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। সুষ্ঠুভাবে খেলা পরিচালনার জন্য আমরা শিলিগুড়ি রেফারিজ অ্যান্ড আম্পায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনকে নিরপেক্ষ রেফারি পোস্টিংয়ের জন্য জানিয়েছি। তারা দায়িত্ব নিয়েছে নিরপেক্ষ জায়গা থেকে রেফারি এনে খেলা পরিচালনা করানোর।
রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সচিব রানা দে সরকার বলেন, শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ আমাদের চিঠি দিয়ে নিরপেক্ষ জায়গার রেফারি দিয়ে খেলা পরিচালনা করার কথা জানিয়েছে। আমরা সেই দায়িত্ব নিয়েছি।
শহরের প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অভিযোগ, ভাড়াটে ফুটবলার খেলিয়ে ঘরের ফুটবলার তৈরির রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার বাইরের রেফারি দিয়ে ঘরের লিগ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিলিগুড়িতে রেফারি তৈরিও বন্ধ হয়ে যাবে। শিলিগুড়ির প্রাক্তন ফুটবলার এবং সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোচ এডুকেটর জয়ব্রত ঘোষ বলেন, জেলা ফুটবল সংস্থার লক্ষ্য হবে ঘরের প্রতিভাবান ফুটবলার ও রেফারি তৈরি করা। ঘরের ফুটবলার ও রেফারিরা যদি নিজের জেলাতেই খেলা ও খেলা পরিচালনার সুযোগ না পান, তাহলে জেলা থেকে ফুটবলার ও রেফারি তৈরি হবে কি করে? এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় ফুটবলের ক্ষেত্রে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
শহরের আর এক প্রাক্তন ফুটবলার কবি সরকারও এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না। মহমেডানের এই প্রাক্তন ফুটবলার কলকাতা মেয়র একাদশের হয়ে বিদেশ সফর করেছেন। তিনি বলেন, ভাড়াটে ফুটবলার খেলানোর জন্য শিলিগুড়িতে অনেক কোচিং সেন্টার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেভাবে ফুটবলার তৈরি হচ্ছে না। এবার বাইরের লোক এনে খেলা পরিচালনা করলে শিলিগুড়িতে আগামী দিনে রেফারিও পাওয়া যাবে না। অথচ শিলিগুড়ির অনেকে কলকাতা রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের পরীক্ষায় পাশ করে যোগ্যতার সঙ্গে সেখানে ম্যাচ খেলাচ্ছেন। শিলিগুড়ির মেয়ে কণিকা বর্মনও ফিফা ম্যাচ পেয়েছেন। যা চলছে, তাতে শিলিগুড়ি একদিন রেফারি শূন্য হয়ে যাবে।
রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সচিব রানা দে সরকার বলেন, শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ আমাদের চিঠি দিয়ে নিরপেক্ষ জায়গার রেফারি দিয়ে খেলা পরিচালনা করার কথা জানিয়েছে। আমরা সেই দায়িত্ব নিয়েছি।
শহরের প্রাক্তন খেলোয়াড়দের অভিযোগ, ভাড়াটে ফুটবলার খেলিয়ে ঘরের ফুটবলার তৈরির রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার বাইরের রেফারি দিয়ে ঘরের লিগ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিলিগুড়িতে রেফারি তৈরিও বন্ধ হয়ে যাবে। শিলিগুড়ির প্রাক্তন ফুটবলার এবং সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোচ এডুকেটর জয়ব্রত ঘোষ বলেন, জেলা ফুটবল সংস্থার লক্ষ্য হবে ঘরের প্রতিভাবান ফুটবলার ও রেফারি তৈরি করা। ঘরের ফুটবলার ও রেফারিরা যদি নিজের জেলাতেই খেলা ও খেলা পরিচালনার সুযোগ না পান, তাহলে জেলা থেকে ফুটবলার ও রেফারি তৈরি হবে কি করে? এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় ফুটবলের ক্ষেত্রে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
শহরের আর এক প্রাক্তন ফুটবলার কবি সরকারও এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না। মহমেডানের এই প্রাক্তন ফুটবলার কলকাতা মেয়র একাদশের হয়ে বিদেশ সফর করেছেন। তিনি বলেন, ভাড়াটে ফুটবলার খেলানোর জন্য শিলিগুড়িতে অনেক কোচিং সেন্টার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেভাবে ফুটবলার তৈরি হচ্ছে না। এবার বাইরের লোক এনে খেলা পরিচালনা করলে শিলিগুড়িতে আগামী দিনে রেফারিও পাওয়া যাবে না। অথচ শিলিগুড়ির অনেকে কলকাতা রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের পরীক্ষায় পাশ করে যোগ্যতার সঙ্গে সেখানে ম্যাচ খেলাচ্ছেন। শিলিগুড়ির মেয়ে কণিকা বর্মনও ফিফা ম্যাচ পেয়েছেন। যা চলছে, তাতে শিলিগুড়ি একদিন রেফারি শূন্য হয়ে যাবে।



