সংবাদদাতা, কান্দি: স্যোশাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া যুবকের সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেজন্য দুই নাবালক সন্তান এবং স্বামীকে ফেলে গিয়েছিলেন এক বধূ। কিন্তু প্রতারিত ও স্বপ্নভঙ্গ হয়ে হোমে ঠাঁই হয়েছিল। তিনমাস পর হোম কর্তৃপক্ষের সাহায্যে ফের নিজের ঘরে ফিরলেন ওই বধূ। মঙ্গলবার খড়গ্রাম থানার নগরগ্রামের একটি মহিলা আবাসিক হোমের কর্তৃপক্ষ ওই বধূকে বাড়ি ফেরান।
Advertisement
ওই বধূ আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম থানার বাসিন্দা। নাবালিকা বয়সেই প্রেম করে স্থানীয় এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন। প্রায় ১০বছর সংসার করেছেন। দু’টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর কর্মস্থল পাঞ্জাবে থাকতেন। সেখানেই খড়গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর আলাপ হয়।
ওই বধূ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপের মাধ্যমে প্রথমে আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। পরে বিয়ের স্বপ্নও দেখি। সেজন্য প্রায় তিনমাস আগে স্বামীর ঘর ছেড়ে খড়গ্রামে পালিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে এসে আমার স্বপ্নভঙ্গ হয়। ওই যুবক আমাকে ২৬ নভেম্বর রাস্তায় ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এরপর পুলিস আমাকে উদ্ধার করে।
ওই আবাসিক হোমের সুপার মিঠু মণ্ডল বলেন, ২৬ নভেম্বর খড়গ্রাম থানার পুলিস ওই যুবতীকে এখানে রেখে গিয়েছিল। আমরা তাঁর থেকে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে কুমারগ্রাম থানার সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে সেখানে গিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপর পাঞ্জাবে কর্মরত ওই যুবতীর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এদিন ওই যুবতীকে তাঁর স্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
ওই বধূর স্বামী বলেন, স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে ২৫ নভেম্বর আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলাম। কয়েকদিন আগে ওঁর হোমে থাকার ঘটনা জানতে পারি। স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে। সন্তানরাও ওদের মাকে ফিরে পাচ্ছে। স্ত্রীর অন্য যুবকের সঙ্গে ঘর বাঁধার ঘটনার কথা মনেও রাখতে চাইছি না। তবে স্যোশাল মিডিয়ায় এধরনের ঘটনা সম্পর্কে সবার সতর্ক থাকা উচিত।
ওই বধূ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপের মাধ্যমে প্রথমে আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। পরে বিয়ের স্বপ্নও দেখি। সেজন্য প্রায় তিনমাস আগে স্বামীর ঘর ছেড়ে খড়গ্রামে পালিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে এসে আমার স্বপ্নভঙ্গ হয়। ওই যুবক আমাকে ২৬ নভেম্বর রাস্তায় ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। এরপর পুলিস আমাকে উদ্ধার করে।
ওই আবাসিক হোমের সুপার মিঠু মণ্ডল বলেন, ২৬ নভেম্বর খড়গ্রাম থানার পুলিস ওই যুবতীকে এখানে রেখে গিয়েছিল। আমরা তাঁর থেকে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে কুমারগ্রাম থানার সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে সেখানে গিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপর পাঞ্জাবে কর্মরত ওই যুবতীর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এদিন ওই যুবতীকে তাঁর স্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
ওই বধূর স্বামী বলেন, স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে ২৫ নভেম্বর আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলাম। কয়েকদিন আগে ওঁর হোমে থাকার ঘটনা জানতে পারি। স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে। সন্তানরাও ওদের মাকে ফিরে পাচ্ছে। স্ত্রীর অন্য যুবকের সঙ্গে ঘর বাঁধার ঘটনার কথা মনেও রাখতে চাইছি না। তবে স্যোশাল মিডিয়ায় এধরনের ঘটনা সম্পর্কে সবার সতর্ক থাকা উচিত।



