Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঘর দেওয়ার নামে তোলাবাজি, বিজেপি মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দলেরই নেতার

ঘর দেওয়ার নামে তোলাবাজি, বিজেপি মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দলেরই নেতার
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: সোমবার মণ্ডল সভাপতি বাছাই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায়। সেই ঘটনায় দলে শোরগোল পড়েছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই দলের মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করলেন খোদ দলের নেতা। তপনের বিজেপি বিধায়ক বুধরাই টুডুর তহবিল থেকে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে তোলাবাজির অভিযোগ উঠল মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে। দলের নেতা সরব হওয়ায় সামনে এসেছে নেতত্বের মধ্যে চরম গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবি।
Advertisement
অভিযোগ, তপন গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শংকর সংসদে বিজেপির ৫ নং মণ্ডল সভাপতি কবিরাজ বাস্কে একাধিক বাসিন্দাকে আশ্বাস দেন বিধায়ক বুধরাই টুডু তাঁর তহবিল থেকে বাড়ি দেবেন। তেমন কথা প্রচার করে একাধিক বাসিন্দার কাছে টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ শংকর সংসদের প্রাক্তন বুথ সভাপতি স্বপন শীলের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে কবিরাজের দাবি, আমাকে নতুন করে মণ্ডল সভাপতি করার কারণে ঈর্ষায় এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
তবে যে যাই বলুন, গেরুয়া শিবিরের অন্দরে এই কাদা ছোড়াছুড়ি দেখে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল। বুধরাই টুডু বলেন, মণ্ডল সভাপতি ঘোষণার আগে এরকম অভিযোগ সামনে আসেনি। কবিরাজ বাস্কের বিরুদ্ধে যদি উপযুক্ত প্রমাণ পাই, অবশ্যই খতিয়ে দেখে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।  শংকর সংসদের স্বপন শীলের দাবি, রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন মণ্ডল সভাপতি কবিরাজ বাস্কে। আমার চাকরি না হওয়ার কারণে টাকা ফেরত দিয়েছেন। তিনি বিধায়ক তহবিল থেকে ঘর দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন এলাকায় দুই, পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। টাকা দেওয়ার পরও অনেকে বাড়ি পাচ্ছেন না। এতে দলের বদনাম হচ্ছে। নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
কবিরাজ বলেন, প্রতিহিংসা থেকেই এসব করা হচ্ছে। আমি ফের মণ্ডল সভাপতি হওয়ার পরই আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি দলকে জানিয়েছি।
বিরোধী দলের অন্দরে বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে তৃণমূল জেলা কমিটির সদস্য তথা বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্রের মন্তব্য, শুধুমাত্র তপন নয়, জেলার বাকি ব্লকেও বিজেপি নেতারা এরকম তোলাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজেদের মধ্যে লড়াই সবে শুরু হয়েছে। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, বিজেপির ঘরোয়া কোন্দল বাড়বে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ