নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: আবাস যোজনায় টাকা পাইয়ে দেওয়ার কৃতিত্ব দাবি করে উপভোক্তার থেকে জোর করে পাঁচ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ফোন পে-র মাধ্যমে সেই টাকা নেওয়ার প্রমাণ সহ বিডিও-র দ্বারস্থ হলেন ওই উপভোক্তা। বিডিও অফিস থেকে নোটিস যেতেই তড়িঘড়ি টাকা ফেরতও দিলেন তৃণমূল নেতা। নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েতের রানিচক গ্রামের ঘটনা। রানিচক ১৭৭ নম্বর বুথ তৃণমূল সভাপতি গৌতম প্রামাণিক ওই বুথের আবাস উপভোক্তা আনন্দ মণ্ডলের কাছ থেকে কাটমানি হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার প্রতিবাদে আনন্দবাবু গ্রাম পঞ্চায়েত এবং নন্দীগ্রাম-২বিডিও অফিসে অভিযোগ জানান। তার ভিত্তিতে ২৮ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের ওই বুথ সভাপতিকে নিজের অফিসে তলব করেছেন নন্দীগ্রাম-২ বিডিও সুপ্রতীম আচার্য।
Advertisement
নন্দীগ্রাম-২ বিডিও বলেন, আবাস উপভোক্তা আনন্দ মণ্ডল একটি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে জোর করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ, শুক্রবার দু’জনকেই অফিসে ডাকা হয়েছে। এই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে এফআইআর করা হবে।
জানা গিয়েছে, বিডিও অফিসের নোটিস পেয়ে গৌতমবাবু বুধবার রাতে আনন্দবাবুকে পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দু’জনকে আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েত অফিসে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে ওই তৃণমূল নেতার সাফাই, তিনি আড়াই মাস আগে ধার হিসেবে ওই টাকা নিয়েছিলেন। তবে, সময়মতো সেই টাকা শোধ করেননি। আবাস যোজনায় কাটমানি হিসেবে ওই টাকা নেওয়া হয়নি। বিডিও অফিস থেকেও তিনি নোটিস পেয়েছেন।
নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে মোট ১৮৩০জন আবাস যোজনায় এবার বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। তবে, টাকা ঢোকার সময় থেকেই এই ব্লকে বেশকিছু ঘটনা সামনে আসে। বিশেষ করে আবাস প্রকল্পে আগেই টাকা পাওয়া এবং পাকাবাড়ি থাকার সত্ত্বেও অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে ধারাবাহিক অভিযোগ আসায় ব্লক প্রশাসন তদন্ত করে। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়া ১৫ জনকে তা ফেরত দেওয়ার নোটিস পাঠানো হয়। তাঁদের অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়। কয়েকজন টাকা ফিরিয়েও দিয়েছেন।
তবে, আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েতের রানিচকে তৃণমূলের বুথ সভাপতি আবাসে টাকা পাইয়ে দেওয়ার কৃতিত্ব জাহির করে আনন্দবাবুর কাছ থেকে জোর করে টাকা নেন। যদিও আনন্দবাবু খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, গ্রামের বেশিরভাগ আবাস উপভোক্তা কোনও নেতাকে টাকা দেননি। এরপরই তিনি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস এবং বিডিও অফিসের দ্বারস্থ হন।
এ প্রসঙ্গে বিজেপি পরিচালিত আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েত প্রধান পূর্ণচন্দ্র মণ্ডল বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযোগকারী আনন্দ মণ্ডল এবং গৌতম প্রামাণিক দু’জনকেই ডাকা হয়েছিল। এর আগেও গৌতমবাবুর বিরুদ্ধে টাকা পয়সা নেওয়ার অভিযোগ ছিল। বুধবার রাতে গৌতমবাবু পাঁচ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন।
এপ্রসঙ্গে আনন্দবাবু বলেন, আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পাওয়ার পর থেকেই ওই বুথ সভাপতি বারবার টাকা চাইছিলেন। আমি দিতে রাজি ছিলাম না। তিনি জোর করতেই আমি ফোন পে-র মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। তৃণমূলের বুথ সভাপতি গৌতমবাবু বলেন, আমি ধার হিসেবে গত ডিসেম্বর মাসে ওই টাকা নিয়েছিলাম। বুধবার সেই টাকা ফেরত দিয়েছি। নন্দীগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সুনীল জানা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। এধরনের ঘটনা দল বরদাস্ত করে না। বুথ সভাপতির সঙ্গে এনিয়ে কথা বলব।
জানা গিয়েছে, বিডিও অফিসের নোটিস পেয়ে গৌতমবাবু বুধবার রাতে আনন্দবাবুকে পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দু’জনকে আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েত অফিসে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে ওই তৃণমূল নেতার সাফাই, তিনি আড়াই মাস আগে ধার হিসেবে ওই টাকা নিয়েছিলেন। তবে, সময়মতো সেই টাকা শোধ করেননি। আবাস যোজনায় কাটমানি হিসেবে ওই টাকা নেওয়া হয়নি। বিডিও অফিস থেকেও তিনি নোটিস পেয়েছেন।
নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে মোট ১৮৩০জন আবাস যোজনায় এবার বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। তবে, টাকা ঢোকার সময় থেকেই এই ব্লকে বেশকিছু ঘটনা সামনে আসে। বিশেষ করে আবাস প্রকল্পে আগেই টাকা পাওয়া এবং পাকাবাড়ি থাকার সত্ত্বেও অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে ধারাবাহিক অভিযোগ আসায় ব্লক প্রশাসন তদন্ত করে। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়া ১৫ জনকে তা ফেরত দেওয়ার নোটিস পাঠানো হয়। তাঁদের অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়। কয়েকজন টাকা ফিরিয়েও দিয়েছেন।
তবে, আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েতের রানিচকে তৃণমূলের বুথ সভাপতি আবাসে টাকা পাইয়ে দেওয়ার কৃতিত্ব জাহির করে আনন্দবাবুর কাছ থেকে জোর করে টাকা নেন। যদিও আনন্দবাবু খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, গ্রামের বেশিরভাগ আবাস উপভোক্তা কোনও নেতাকে টাকা দেননি। এরপরই তিনি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস এবং বিডিও অফিসের দ্বারস্থ হন।
এ প্রসঙ্গে বিজেপি পরিচালিত আমদাবাদ-২ পঞ্চায়েত প্রধান পূর্ণচন্দ্র মণ্ডল বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযোগকারী আনন্দ মণ্ডল এবং গৌতম প্রামাণিক দু’জনকেই ডাকা হয়েছিল। এর আগেও গৌতমবাবুর বিরুদ্ধে টাকা পয়সা নেওয়ার অভিযোগ ছিল। বুধবার রাতে গৌতমবাবু পাঁচ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন।
এপ্রসঙ্গে আনন্দবাবু বলেন, আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পাওয়ার পর থেকেই ওই বুথ সভাপতি বারবার টাকা চাইছিলেন। আমি দিতে রাজি ছিলাম না। তিনি জোর করতেই আমি ফোন পে-র মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। তৃণমূলের বুথ সভাপতি গৌতমবাবু বলেন, আমি ধার হিসেবে গত ডিসেম্বর মাসে ওই টাকা নিয়েছিলাম। বুধবার সেই টাকা ফেরত দিয়েছি। নন্দীগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সুনীল জানা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি জানতে পেরেছি। এধরনের ঘটনা দল বরদাস্ত করে না। বুথ সভাপতির সঙ্গে এনিয়ে কথা বলব।



