সংবাদদাতা, বহরমপুর: বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার দাপটে আলু ও সর্ষে চাষিদের কপালে হাত পড়েছে। ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কায় চাষিরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এদিন ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া ছিল গোটা জেলা। দুপুর ১২টার পর সূর্যের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও দিনভর রোদের মুখ দেখা যায়নি। সকাল ১০টার পর কুয়াশায় ঘনত্ব ক্রমশ পাতলা হতে শুরু করে। চাষিদের দাবি, এই কুয়াশা অবিলম্বে আলু চাষে নাবিধসা আনবে। নাবিধসা হলে আলু চাষে ব্যাপক ক্ষতি হবে। অন্যদিকে, একইভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সর্ষে চাষিরাও। তাঁদের দাবি, সর্ষে গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। এই সময় কুয়াশা হলে রোগ পোকার আক্রমণ বাড়বে। তার প্রভাব পড়বে ফলনে। যদিও জেলা কৃষিদপ্তর চাষিদের আশ্বস্ত করেছে। কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, একদিনের কুয়াশা আলু বা সর্ষে চাষে ক্ষতি আনতে পারবে না। তবে কুয়াশা কয়েকদিন স্থায়ী হলে ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়বে।
Advertisement
বুধবার জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এক ডিগ্রি বাড়লেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছিল। বুধবার রাতে কুয়াশার প্রভাব না থাকলেও বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই কুয়াশার চাদর ক্রমশ ঘনীভূত হতে শুরু করে। কুয়াশার জেরে সকাল থেকে দৃশ্যমানতা তলানিতে এসে ঠেকেছিল।
মুর্শিদাবাদ জেলায় এবার ১৪ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এখনও প্রায় ৬০ শতাংশ আলু জমিতে পড়ে রয়েছে। এমনিতেই এবার আলুর দাম অনেক কম। তার উপর বৃহস্পতিবারের ঘন কুয়াশা এখন আলু চাষিদের সামনে অসুর হয়েই দেখা দিয়েছে। এবার আলু চাষে এখনও পর্যন্ত নাবিধসার আক্রমণ হয়নি। তবে বৃহস্পতিবারের কুয়াশা সেই আশঙ্কা বাড়িয়েছে। চাষিদের বক্তব্য, এই মূহূর্তে মাঠে প্রচুর আলু রয়েছে। সর্ষে খেতে ফল ধরতে শুরু করেছে। কুয়াশা স্থায়ী হলে আলুতে নাবিধসার আক্রমণ হতে পারে। সর্ষেতেও রোগপোকার আক্রমণ হতে পারে। বড়ঞা ব্লকের আলু চাষি বিক্রম ঘোষ বলেন, আলুর দাম বাড়তে পারে এই আশায় তিন বিঘা জমির আলু তুলিনি। কিন্তু কুয়াশার প্রভাবে চিন্তা বেড়েছে। জানি না, শেষ পর্যন্ত কতটা আলু হাতে পাব।
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১ লক্ষ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষে ও রাই চাষ হয়। এবার সর্ষে ও রাইয়ে প্রচুর ফুল আসায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছিল। ভালো ফলন ও মোটা লাভের অঙ্ক কষতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। এখন গাছে গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। বহু জমিতে সর্ষে পুষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কুয়াশা কিছুটা হলেও চাষিদের চিন্তা বাড়িয়েছে। হরিহরপাড়া এলাকার সর্ষে চাষি আবদুল হালিম বলেন, আমাদের এলাকায় আলু চাষ খুবই কম। পরিবর্তে আমরা সর্ষে ও রাই চাষ করি। এবার ভালো ফলনের আশা করেছিলাম। তবে কুয়াশার দাপটে আশাভঙ্গ হতে শুরু করেছে।
মুর্শিদাবাদ জেলায় এবার ১৪ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এখনও প্রায় ৬০ শতাংশ আলু জমিতে পড়ে রয়েছে। এমনিতেই এবার আলুর দাম অনেক কম। তার উপর বৃহস্পতিবারের ঘন কুয়াশা এখন আলু চাষিদের সামনে অসুর হয়েই দেখা দিয়েছে। এবার আলু চাষে এখনও পর্যন্ত নাবিধসার আক্রমণ হয়নি। তবে বৃহস্পতিবারের কুয়াশা সেই আশঙ্কা বাড়িয়েছে। চাষিদের বক্তব্য, এই মূহূর্তে মাঠে প্রচুর আলু রয়েছে। সর্ষে খেতে ফল ধরতে শুরু করেছে। কুয়াশা স্থায়ী হলে আলুতে নাবিধসার আক্রমণ হতে পারে। সর্ষেতেও রোগপোকার আক্রমণ হতে পারে। বড়ঞা ব্লকের আলু চাষি বিক্রম ঘোষ বলেন, আলুর দাম বাড়তে পারে এই আশায় তিন বিঘা জমির আলু তুলিনি। কিন্তু কুয়াশার প্রভাবে চিন্তা বেড়েছে। জানি না, শেষ পর্যন্ত কতটা আলু হাতে পাব।
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১ লক্ষ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সর্ষে ও রাই চাষ হয়। এবার সর্ষে ও রাইয়ে প্রচুর ফুল আসায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছিল। ভালো ফলন ও মোটা লাভের অঙ্ক কষতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। এখন গাছে গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। বহু জমিতে সর্ষে পুষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কুয়াশা কিছুটা হলেও চাষিদের চিন্তা বাড়িয়েছে। হরিহরপাড়া এলাকার সর্ষে চাষি আবদুল হালিম বলেন, আমাদের এলাকায় আলু চাষ খুবই কম। পরিবর্তে আমরা সর্ষে ও রাই চাষ করি। এবার ভালো ফলনের আশা করেছিলাম। তবে কুয়াশার দাপটে আশাভঙ্গ হতে শুরু করেছে।



