নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শীত না পড়তেই ঘন কুয়াশার দাপটে নাজেহাল জনজীবন। প্রায় প্রতিদিন ভোরেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকছে নবাবী মুলুক মুর্শিদাবাদ। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে যান চলাচলে। জাতীয় সড়কে ভোররাতে ধীর গতিতে চলছে ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস। ভাগীরথী ও গঙ্গায় খেয়া পারাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে মাঝিদের। অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে কোনও কোনও দিন সকালে কিছুটা দেরিতে খেয়া পরিষেবা শুরু হচ্ছে।
Advertisement
জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ ফেরিঘাট বোটম্যান সংগঠনের সদস্য অজিত বিশ্বাস বলেন, রবি ও সোমবার ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা থাকায় একটু দেরিতে ফেরি পরিষেবা চালু করা হয়। সেক্ষেত্রে একটু পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত একটি নৌকা যাতাযাত করেছে। তবে কুয়াশা কাটতেই ফেরি পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে যায়।
জিয়াগঞ্জ নিমতলা ঘাটের মাঝি রাজু যাদব বলেন, কুয়াশা হলে স্বাভাবিকভাবেই নৌকা চলাচলে সমস্যা হয়। দৃশ্যমানতা কম থাকায় নদীর মাঝে দু’টি নৌকার মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই আমরা সাবধানতা অবলম্বন করে কুয়াশার মধ্যে নৌকা চালাচ্ছি।
বহরমপুর কলেজঘাটে এক যাত্রী সুবর্ণা রায়চৌধুরী বলেন, আমি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করি। প্রতিদিন সকালে নদী পার হতে হয়। খেয়া নৌকায় পার হলে অনেকটা সময় ও পয়সা দুইই বাঁচে। তবে গত তিনদিন ধরে ঘন কুয়াশা হচ্ছে। নদীতে এপার ওপার কিছুই দেখা যাচ্ছে না। এই সময়ে কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হয়।
মেহেদিপুর মোড়ের কাছে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিস বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই ভোররাত থেকে ঘন কুয়াশায় গোটা এলাকা ঢেকে যাচ্ছে। জাতীয় সড়কের দুপাশে বিস্তীর্ণ এলাকা ফাঁকা থাকায় কুয়াশার দাপট অনেকটা বেশি। আমরা ট্রাক চালকদের সচেতন করছি। সকলে যাতে ফগ লাইট ব্যবহার করে এবং ভোরের দিকে ট্রাকের গতি নিয়ন্ত্রণ রাখে।
ট্রাকচালক ওয়াসিম খান বলেন, আমরা দিনরাত ট্রাক চালাই। তবে শীতকালে ভোরের দিকে খুব সমস্যা হয়। চেষ্টা করি ভোর রাতের দিকে ঘন কুয়াশায় কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে নিতে। রাস্তার ধারে পার্কিং দেখলে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখি। কুয়াশা কাটলে ফের ট্রাক চালাই। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাতে সময় থাকে না। তাই ঝুঁকি নিয়ে ঘন কুয়াশার মধ্যেও ট্রাক চালাতে হয়। তখন ফগ লাইট জ্বালিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে গাড়ি চালাই।
জিয়াগঞ্জ নিমতলা ঘাটের মাঝি রাজু যাদব বলেন, কুয়াশা হলে স্বাভাবিকভাবেই নৌকা চলাচলে সমস্যা হয়। দৃশ্যমানতা কম থাকায় নদীর মাঝে দু’টি নৌকার মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই আমরা সাবধানতা অবলম্বন করে কুয়াশার মধ্যে নৌকা চালাচ্ছি।
বহরমপুর কলেজঘাটে এক যাত্রী সুবর্ণা রায়চৌধুরী বলেন, আমি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করি। প্রতিদিন সকালে নদী পার হতে হয়। খেয়া নৌকায় পার হলে অনেকটা সময় ও পয়সা দুইই বাঁচে। তবে গত তিনদিন ধরে ঘন কুয়াশা হচ্ছে। নদীতে এপার ওপার কিছুই দেখা যাচ্ছে না। এই সময়ে কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হয়।
মেহেদিপুর মোড়ের কাছে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিস বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই ভোররাত থেকে ঘন কুয়াশায় গোটা এলাকা ঢেকে যাচ্ছে। জাতীয় সড়কের দুপাশে বিস্তীর্ণ এলাকা ফাঁকা থাকায় কুয়াশার দাপট অনেকটা বেশি। আমরা ট্রাক চালকদের সচেতন করছি। সকলে যাতে ফগ লাইট ব্যবহার করে এবং ভোরের দিকে ট্রাকের গতি নিয়ন্ত্রণ রাখে।
ট্রাকচালক ওয়াসিম খান বলেন, আমরা দিনরাত ট্রাক চালাই। তবে শীতকালে ভোরের দিকে খুব সমস্যা হয়। চেষ্টা করি ভোর রাতের দিকে ঘন কুয়াশায় কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে নিতে। রাস্তার ধারে পার্কিং দেখলে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখি। কুয়াশা কাটলে ফের ট্রাক চালাই। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাতে সময় থাকে না। তাই ঝুঁকি নিয়ে ঘন কুয়াশার মধ্যেও ট্রাক চালাতে হয়। তখন ফগ লাইট জ্বালিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে গাড়ি চালাই।



