নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ঘনঘন নম্বর প্লেট বদলে ব্যবসায়ীদের চোখে ধুলো দিয়ে মালবোঝাই ট্রাক গায়েব করার আন্তঃরাজ্য একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ওই চক্রের সদস্যরা এরাজ্যের পাশাপাশি বিহার ও ঝাড়খণ্ডে জাল বিস্তার করেছে। সম্প্রতি বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় থানার পুলিস ওই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। চক্রের সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট সংস্থার একাংশও জড়িত বলে পুলিস জানতে পেরেছে। এতদিন চালক ও খালাসিকে মাঝপথে গাড়ি থেকে নামিয়ে ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটত। এবার খোদ চালকই সামগ্রীর মালিককে বোকা বানিয়ে আস্ত ট্রাক নিয়ে মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিস কর্তারা উদ্বিগ্ন। আন্তঃরাজ্য পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে যানবাহন বুকিংয়ের সময় বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়ার জন্য পুলিসের তরফে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশ্বস্ত ট্রান্সপোর্ট সংস্থার থেকে গাড়ি ভাড়ার জন্য রপ্তানিকারকদের বলা হচ্ছে।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, এর আগে লোহার রড ভর্তি একটি গাড়ি ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা জেলা থেকে চম্পট দিয়েছিল। পরে আমরা ট্রাকটিকে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে উদ্ধার করি। তবে মালভর্তি ট্রাক খোদ চালক ও মালিকের যোগসাজশে গায়েবের ঘটনা এই প্রথম। বাঁকুড়ার মাটিকে ব্যবহার করে কেউ যাতে ওই ধরনের ঘটনা না ঘটাতে পারে তার জন্য আমরা সজাগ রয়েছি। নতুন ধরনের ওই অপরাধ সম্পর্কে জেলার সব থানাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও পণ্য রপ্তানিকারকদেরও সজাগ থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মালবোঝাই ট্রাক ছিনতাইয়ের চক্র দীর্ঘদিন ধরেই জেলায় জেলায় সক্রিয় রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ওই ঘটনা বেশি ঘটে। কারণ সেখানকার সিংহভাগ জেলার সঙ্গেই কমবেশি আন্তঃরাজ্য সীমানা রয়েছে। ফলে বাংলায় ট্রাক ছিনতাই করে সীমানা পেরিয়ে প্রতিবেশী রাজ্যে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়ে। ওইসময় তারা জাতীয় ও রাজ্য সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এড়িয়ে গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করে থাকে। কারণ ওই রাস্তায় পুলিসি নজরদারি সেভাবে থাকে না। ওই ধরনের ঘটনায় অনেক সময় চালকের সঙ্গে ছিনতাইকারীদের যোগসাজশ থাকে। চালকই ট্রাকের গতিবিধি সম্পর্কে দুষ্কৃতীদের আগাম খবর দিয়ে দেয়। ছিনতাইয়ের পর দুষ্কৃতীরা নির্জন জায়গায় সামগ্রী অন্য যানবাহনে তুলে ট্রাক ফেলে চম্পট দেয়। ছিনতাইয়ের সময় অভিনয় করে চালক পরে তার বখরা বুঝে নেয়। যা ক্ষতি তা ব্যবসায়ীর হয়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন গজিয়ে ওঠা চক্রের সদস্যরা ছক কষে একাধিক ভুয়া নম্বর প্লেট বানিয়ে ট্রাকের মধ্যে রেখে দিচ্ছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ট্রাকের চেচিসে থাকা নম্বরও ঘসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে ট্রাক মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার পর সেটির সন্ধান পেতে পুলিসের কালঘাম ছুটে যাচ্ছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বেলিয়াতোড়ের ঘটনায় বিহারের ধান ব্যবসায়ীর সঙ্গে ট্রাক চালক ও মালিকের ফোনে কথোপকথনের (কল রেকর্ড) সূত্র ধরেই আমরা ঘটনার কিনারা করি। তা না হলে ট্রাকটির হদিশ পাওয়া যেত না। আগামী ট্রাক চালক বা মালিক যদি বেনামে কেনা সিম ব্যবহার করে ফোন করে, তাহলে ঘটনার কিনারা করা মুশকিল হয়ে যাবে। ফলে এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের আগাম সাবধানতা অবলম্বন করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মালবোঝাই ট্রাক ছিনতাইয়ের চক্র দীর্ঘদিন ধরেই জেলায় জেলায় সক্রিয় রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ওই ঘটনা বেশি ঘটে। কারণ সেখানকার সিংহভাগ জেলার সঙ্গেই কমবেশি আন্তঃরাজ্য সীমানা রয়েছে। ফলে বাংলায় ট্রাক ছিনতাই করে সীমানা পেরিয়ে প্রতিবেশী রাজ্যে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়ে। ওইসময় তারা জাতীয় ও রাজ্য সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এড়িয়ে গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করে থাকে। কারণ ওই রাস্তায় পুলিসি নজরদারি সেভাবে থাকে না। ওই ধরনের ঘটনায় অনেক সময় চালকের সঙ্গে ছিনতাইকারীদের যোগসাজশ থাকে। চালকই ট্রাকের গতিবিধি সম্পর্কে দুষ্কৃতীদের আগাম খবর দিয়ে দেয়। ছিনতাইয়ের পর দুষ্কৃতীরা নির্জন জায়গায় সামগ্রী অন্য যানবাহনে তুলে ট্রাক ফেলে চম্পট দেয়। ছিনতাইয়ের সময় অভিনয় করে চালক পরে তার বখরা বুঝে নেয়। যা ক্ষতি তা ব্যবসায়ীর হয়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন গজিয়ে ওঠা চক্রের সদস্যরা ছক কষে একাধিক ভুয়া নম্বর প্লেট বানিয়ে ট্রাকের মধ্যে রেখে দিচ্ছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ট্রাকের চেচিসে থাকা নম্বরও ঘসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে ট্রাক মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাওয়ার পর সেটির সন্ধান পেতে পুলিসের কালঘাম ছুটে যাচ্ছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বেলিয়াতোড়ের ঘটনায় বিহারের ধান ব্যবসায়ীর সঙ্গে ট্রাক চালক ও মালিকের ফোনে কথোপকথনের (কল রেকর্ড) সূত্র ধরেই আমরা ঘটনার কিনারা করি। তা না হলে ট্রাকটির হদিশ পাওয়া যেত না। আগামী ট্রাক চালক বা মালিক যদি বেনামে কেনা সিম ব্যবহার করে ফোন করে, তাহলে ঘটনার কিনারা করা মুশকিল হয়ে যাবে। ফলে এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের আগাম সাবধানতা অবলম্বন করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।



