সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: গতিবিধি, চালচলন ছিল সন্দেহজনক। স্বামী যে তলে তলে অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত, তা আঁচ করেছিলেন স্ত্রী। কিন্তু প্রমাণ করবেন কী করে! স্বামী ঘুমোতেই তাঁর আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের লক খুলে ফেলেন। আর তারপরই স্ত্রীর চক্ষু চরকগাছ। গ্যালারির ফোল্ডারে অন্য এক মহিলার ছবি। হাতেহাতে স্ত্রীর হাতে ধরা পড়ে স্বামীও বেজায় ক্ষিপ্ত। স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় মহিলার কপালেও জুটল মার। সন্তান সহ শনিবার রাতেই স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন স্বামী। জখম অবস্থায় স্বামীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাপের বাড়িতে ফোনে সবটা জানান। ফোন পেয়ে মা ঘটনাস্থল থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে। শরীরের একাধিক জায়গায় গুরুতর জখম লেগেছে তার। রবিবার সকালে ময়নাগুড়ি থানায় এসে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত মহিলা। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য তিনি জলপাইগুড়ি রয়েছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিস। অভিযুক্তর খোঁজ চলছে। আহত মহিলা স্বামীর কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
প্রায় ৯ বছর আগে ময়নাগুড়ি উত্তর ভুস্কাডাঙার এই মহিলার সঙ্গে ব্যাঙকান্দির নিতাইচন্দ্র সরকারের বিয়ে হয়। অভিযোগ, দু’মাস আগে অভিযুক্ত নিতাইয়ের স্ত্রী জানতে পারে, এক মহিলার সঙ্গে স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। তবে তাঁর হাতে কোনও প্রমাণ ছিল না। সে কারণেই তিনি স্বামীর ঘুমন্ত অবস্থায় আঙুলের টাচ ব্যবহার করে মোবাইলের স্ক্রীন লক খোলেন। আর তাতেই তিনি প্রমাণ পেয়ে যান।
নিতাইচন্দ্র সরকারের স্ত্রী বলেন, অবৈধ সম্পর্কের জন্য আমি প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলাম। সে কারণে আমাকে এবং আমার ছেলেকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। শুধু তাই নয় আমাকে বেধড়ক মারধর করে। ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি। মাথায়, বুকে কোমরে চোট রয়েছে। আমি অভিযুক্তর শাস্তি চাই।
নিতাইচন্দ্র সরকারকে এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কিছু সময় চুপ করে থাকেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, আমার স্ত্রী নিজের মোবাইল আমাকে দেখতে দেয় না। সব কিছু ওই গোপন করে রাখে। আর সেই বিষয়কে নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। কোনওভাবে হয়তো সে আঘাত পেয়েছে। তবে আমি তাকে মারধর করিনি। অভিযোগ ভিত্তিহীন।
নিতাইচন্দ্র সরকারের স্ত্রী বলেন, অবৈধ সম্পর্কের জন্য আমি প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলাম। সে কারণে আমাকে এবং আমার ছেলেকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। শুধু তাই নয় আমাকে বেধড়ক মারধর করে। ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি। মাথায়, বুকে কোমরে চোট রয়েছে। আমি অভিযুক্তর শাস্তি চাই।
নিতাইচন্দ্র সরকারকে এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কিছু সময় চুপ করে থাকেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, আমার স্ত্রী নিজের মোবাইল আমাকে দেখতে দেয় না। সব কিছু ওই গোপন করে রাখে। আর সেই বিষয়কে নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। কোনওভাবে হয়তো সে আঘাত পেয়েছে। তবে আমি তাকে মারধর করিনি। অভিযোগ ভিত্তিহীন।



