নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: একই ঘরে ঘুমন্ত দাদাকে একপাশে রেখে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ভাই। সোমবার ভোরে ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় রায়গঞ্জের কমলাবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝারবাড়ি এলাকায়। পরিবারের দাবি, বাড়ির সকলে ঘুমিয়ে থাকার জন্য এত বড় ঘটনা কেউ টের পায়নি। তাঁদের বক্তব্য, ঘাস মারার কীটনাশক খেয়ে নিজের মৃত্যু নিশ্চিত করে ১৭ বছর বয়সি ওই কিশোর। সোমবার সকালে তাঁর অসাড় দেহ উদ্ধার হয়। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, ওই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিস।
Advertisement
মৃতের জ্যেঠু জয়দেব রায় সোমবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে দাঁড়িয়ে বলেন, মৃত আমার ভাইপো। ও এই বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। হেমতাবাদ হাইস্কুলের ছাত্র। ওর দাদা কালিয়াগঞ্জ কলেজের প্রথমবর্ষের ছাত্র। ওদের বাবা মা পরিযায়ী শ্রমিক। কাজের জন্য দিল্লিতে থাকে। তাই ওরা দু’ভাই আমার বাবা মা অর্থাৎ ওদের দাদু, ঠাকুমার কাছেই থাকে। প্রতিদিনের মতো রবিবার রাতেও দুই ভাই একই ঘরে ঘুমোচ্ছিল। তারপরই সকালে এই কাণ্ড সকলের নজরে আসে। শেষপর্যন্ত ছোট ভাইপোর অসাড় দেহ উদ্ধার করে আমরা রায়গঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে আসি। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, গত চার পাঁচ দিন ধরেই ওই কিশোর মনমরা ছিল।
সারাক্ষণ কী যেন একটা ভাবছিল। সারাদিন মোবাইল ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকত। মানুষের সঙ্গে মেলামেশাও করছিল না। আমরা জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলত না।
শেষে রবিবার রাতে সকলে যখন ঘুমিয়ে পড়লে সে ঘটনাটি ঘটায়। সে ঘরে থাকা ঘাস মারার কীটনাশক খেয়ে নেয়। এরপর বেশ কয়েকবার বমিও করে। তারপরই ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ওই সময় ওই ঘরেই ওর দাদাও ঘুমাচ্ছিল। কিন্তু তেমন কিছুই সে টের পায়নি বলে সকলকে জানিয়েছে।
সারাক্ষণ কী যেন একটা ভাবছিল। সারাদিন মোবাইল ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকত। মানুষের সঙ্গে মেলামেশাও করছিল না। আমরা জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলত না।
শেষে রবিবার রাতে সকলে যখন ঘুমিয়ে পড়লে সে ঘটনাটি ঘটায়। সে ঘরে থাকা ঘাস মারার কীটনাশক খেয়ে নেয়। এরপর বেশ কয়েকবার বমিও করে। তারপরই ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ওই সময় ওই ঘরেই ওর দাদাও ঘুমাচ্ছিল। কিন্তু তেমন কিছুই সে টের পায়নি বলে সকলকে জানিয়েছে।



