সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ঘুম ভাঙলেই ৫০ গাড়ি ময়লা নিয়ে চিন্তা। যেদিকেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই বাধা। এই অবস্থায় রোজ এত পরিমাণ ময়লা কোথায় ফেলা হবে, সেই জায়গা খুঁজতেই হিমশিম খাচ্ছেন বিষ্ণুপুর পুরসভার কর্মকর্তারা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিষ্ণুপুর শহর পরিষ্কার রাখতে এখন শুধু দিনের বেলাতেই নয়। রাতেও শহর সাফাইয়ের কাজ চলছে। তাতে সব মিলিয়ে রোজ গড়ে প্রায় ৫০গাড়ি ময়লা তোলা হচ্ছে। কিন্তু, তা ফেলা হবে কোথায়, তা নিয়েই তাঁদের ঘুম ছুটেছে। স্থায়ী ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পাঁচিল তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও এখনও প্রসেসিং ইউনিট না বসানোয় সেখানে ময়লা ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই যেখানে সেখানে ময়লা ফেলতে হচ্ছে। ময়লা ফেলার জন্য পুরসভার নিজস্ব জায়গাও নেই। পার্শ্ববর্তী জঙ্গল এলাকায় ফেললে বনদপ্তরের আপত্তি। শহরের ময়লা গ্রামের দিকে নিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা কার্যত তাড়া করছেন। তাই পুরকর্তারা চরম সমস্যায় পড়েছেন।
Advertisement
বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দের কথা ভেবে আমরা শহরকে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করছি। তার জন্য দিনের পাশাপাশি রাতেও ময়লা সাফাইয়ের কাজ করছি। তাতে শহরকে যথাসম্ভব আবর্জনামুক্ত করা গিয়েছে। কিন্তু, ওই ময়লা ফেলব কোথায়? সেটাই এখন চিন্তা। স্থায়ী ডাম্পিং গ্রাউন্ডে প্রসেসিং ইউনিট বসার অপেক্ষায় আমরা দিন গুনছি। সেটা হলেই বহু বছরের সমস্যা মিটবে। এব্যাপারে আমরা পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরকে জানিয়েছি। তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
দেড়শো বছরের প্রাচীন বিষ্ণুপুর পুরসভা। শহর হেরিটেজ মন্দিরে পরিপূর্ণ। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। তাই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর অপরিষ্কার থাকলে মান থাকে না। সেই জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কয়েক বছর আগে বিষ্ণুপুর পুরসভাকে গ্রিন সিটি প্রকল্পের অধীনে আনা হয়। বাড়ি বাড়ি ময়লা সংগ্রহ শুরু হয়। তাতেই ময়লার বহর বেড়ে যায়। এমনকী চলতি বছরের পুজোর সময় থেকে রাতেও রাস্তায় জমে থাকা ময়লা সংগ্রহ করা হচ্ছে। শহরের প্রতিটি মোড়ে এবং বড় রাস্তায় হুইসেল বাজিয়ে পুরসভার গাড়ি ময়লা তুলছে। তাতে রোজ গড়ে ৫০গাড়ি ময়লা তোলা হচ্ছে। কিন্তু, সেই ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে সমস্যায় পড়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। শহরের বাইরে ফাঁকফোকর খুঁজে ময়লার গাড়ি নিয়ে পুরসভার কর্মীরা গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তা ফেলতে আপত্তি তুলছেন। অনেক জায়গায় স্থানীয়রা কর্মীদের তাড়াও করছেন। তবে আশার কথা একটাই। ময়রাপুকুর মৌজায় একটি অত্যাধুনিক ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হচ্ছে। পাঁচিলের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। প্রসেসিং ইউনিট বসলেই বহু বছরের এই সমস্যা মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দেড়শো বছরের প্রাচীন বিষ্ণুপুর পুরসভা। শহর হেরিটেজ মন্দিরে পরিপূর্ণ। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। তাই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর অপরিষ্কার থাকলে মান থাকে না। সেই জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কয়েক বছর আগে বিষ্ণুপুর পুরসভাকে গ্রিন সিটি প্রকল্পের অধীনে আনা হয়। বাড়ি বাড়ি ময়লা সংগ্রহ শুরু হয়। তাতেই ময়লার বহর বেড়ে যায়। এমনকী চলতি বছরের পুজোর সময় থেকে রাতেও রাস্তায় জমে থাকা ময়লা সংগ্রহ করা হচ্ছে। শহরের প্রতিটি মোড়ে এবং বড় রাস্তায় হুইসেল বাজিয়ে পুরসভার গাড়ি ময়লা তুলছে। তাতে রোজ গড়ে ৫০গাড়ি ময়লা তোলা হচ্ছে। কিন্তু, সেই ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে সমস্যায় পড়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। শহরের বাইরে ফাঁকফোকর খুঁজে ময়লার গাড়ি নিয়ে পুরসভার কর্মীরা গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তা ফেলতে আপত্তি তুলছেন। অনেক জায়গায় স্থানীয়রা কর্মীদের তাড়াও করছেন। তবে আশার কথা একটাই। ময়রাপুকুর মৌজায় একটি অত্যাধুনিক ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হচ্ছে। পাঁচিলের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। প্রসেসিং ইউনিট বসলেই বহু বছরের এই সমস্যা মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।



