নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বেআইনিভাবে গাছ কাটার অভিযোগ ঘিরে সোমবার গোঘাট পঞ্চায়েতের ভাবাদিঘি সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। অনুমতি না নেওয়া অংশে গাছ কাটার খবর পেয়ে তা রুখে দেন পঞ্চায়েতের প্রধান ও গোঘাট-১ পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি স্থায়ী কর্মাধ্যক্ষ সঞ্জয় খান। ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েতের প্রধান সান্ত্বনা মান্না বলেন, একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় থাকা প্রায় ৪০টি গাছ কাটার ব্যাপারে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পঞ্চায়েতের তরফে দেওয়া হয়েছিল। তার ভিত্তিতে বনদপ্তরও অমুমতি দেয়। কিন্তু, খবর পাওয়া যায় অনুমতি নেওয়া হয়নি এমন জায়গার উপরেও শতাধিক গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে। এদিন তার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়। পাশাপাশি প্রশাসন ও বনদপ্তরকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, গাছ কাটা আটকানো তৃণমূলের নাটক। অবৈধ গাছ কাটার কমিশনের ভাগ না পাওয়াতেই প্রতিবাদ করা হয়েছে। পাল্টা কর্মাধ্যক্ষ তৃণমূলের সঞ্জয় খান বলেন, বিজেপির মায়ের তলায় মাটি নেই। তাই ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। তাঁর দাবি, অনুমতি না নেওয়া গাছগুলি পঞ্চায়েতের। সেই গাছ রক্ষণাবেক্ষণ করেন স্থানীয় বাসিন্দারাই। তাই পঞ্চায়েত, বনদপ্তরের অনুমতি ছাড়া এই গাছ কাটা অবৈধ। আরামবাগের রেঞ্জ অফিসার আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্রায় ৪০টি গাছ কাটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তার বাইরে গিয়ে আরও কিছু গাছ কাটা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বনকর্মীরা বিষয়টি গিয়ে দেখে এসেছেন। তদন্ত করে ত্রুটি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



