নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: গোঘাটে খুঁটি থেকে বিদ্যুৎবাহী তার চুরির অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গোঘাটের কামারপুকুর-হাজিপুর রাজ্য সড়কের উপর দেবখণ্ড সিংড়াপুরের মাঝে চাঁদপুরে মঙ্গলবার সকালে চুরির ঘটনা নজরে আসে। খবর পেয়ে এলাকায় যান বিদ্যুৎদপ্তরের আধিকারিকরা। একইসঙ্গে তদন্তে যায় গোঘাট থানার পুলিসও। চুরি যাওয়া বিদ্যুৎবাহী তারের সঙ্গে সেচের জল দেওয়ার দু’টি সাবমার্সিবল পাম্পে সংযোগ ছিল। ফলে বর্তমানে দু’টি সাবমার্সিবল পাম্প অকেজো। সেচের জল দেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন এলাকার চাষিরা। চাষিদের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ না দেওয়া হলে আলু জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে। ক্ষতির মুখে পড়বে আলু জমিগুলি।
Advertisement
এদিন ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুরে যান আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ। তিনি বলেন, এই ধরনের চুরির ঘটনা অনভিপ্রেত। গোঘাট থানার পুলিস তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। চাষিদের স্বার্থে যাতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যায় সেব্যাপারে দপ্তরকে বলেছি। বিদ্যুৎদপ্তরের কামারপুকুরের স্টেশন ম্যানেজার গুরুগোপাল দানা বলেন, মাঝেমাঝেই এভাবে চুরির ঘটনা ঘটছে। এদিন আমরা ওই এলাকায় গিয়ে দেখি প্রায়, ১০০মিটার বিদ্যুতের তার চুরি করে নেওয়া হয়েছে। এর আগেও দু’টি জায়গায় হয়েছে। এরফলে কোনও গ্রাহকের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের অসুবিধা হবে না। কিন্তু দু’টি সাবমার্সিবল পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে গোঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বিদ্যুৎদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৪০ভোল্টের বিদ্যুৎবাহী তার রয়েছে ওই এলাকায়। বিদ্যুৎদপ্তরের অনুমান, সোমবার রাতে ট্রান্সফর্মার থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তার খুলে নেওয়া হয়েছে। এদিন সকালে এলাকার চাষিরা সেচ দেওয়ার কাজ করতে পাম্প চালাতে যান। তখন তা না চলায় বিপাকে পড়েন চাষিরা। তারপর চুরির বিষয়টি নজরে আসে। বিদ্যুৎদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, মাসদুয়েক আগে ফের একইভাবে বিদ্যুতের চার চুরি করে নেওয়া হয়েছিল। তার আগে আরও একটি জায়গা থেকে এভাবে চুরি করা হয়। শীতের রাতে এলাকার বাসিন্দারা জেগে না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে দুষ্কৃতীরা। একইসঙ্গে শীতের রাতে আলো, পাখার ব্যবহার না হওয়ার ফলেও বাসিন্দারা লোডশেডিং টের পাননি। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা তার চুরি করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বিদ্যুতের তারের সাহায্যে একটি পঞ্চায়েত ও একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সাবমার্সিবল পাম্প চলে। দু’টি পাম্পের সাহায্যে প্রায় ১০০বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হয়।
চাঁদপুর এলাকার চাষি নয়ন সামুই বলেন, দু’টি সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে এলাকায় আলু জমিগুলিতে সেচ দেওয়া হয়। আচমকা চুরি হয়ে যাওয়ায় আমরা সেচ দেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছি। দ্রুত সংযোগ না দেওয়া হলে আলু চাষে ক্ষতি হয়ে যাবে।
বিদ্যুৎদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৪০ভোল্টের বিদ্যুৎবাহী তার রয়েছে ওই এলাকায়। বিদ্যুৎদপ্তরের অনুমান, সোমবার রাতে ট্রান্সফর্মার থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তার খুলে নেওয়া হয়েছে। এদিন সকালে এলাকার চাষিরা সেচ দেওয়ার কাজ করতে পাম্প চালাতে যান। তখন তা না চলায় বিপাকে পড়েন চাষিরা। তারপর চুরির বিষয়টি নজরে আসে। বিদ্যুৎদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, মাসদুয়েক আগে ফের একইভাবে বিদ্যুতের চার চুরি করে নেওয়া হয়েছিল। তার আগে আরও একটি জায়গা থেকে এভাবে চুরি করা হয়। শীতের রাতে এলাকার বাসিন্দারা জেগে না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে দুষ্কৃতীরা। একইসঙ্গে শীতের রাতে আলো, পাখার ব্যবহার না হওয়ার ফলেও বাসিন্দারা লোডশেডিং টের পাননি। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা তার চুরি করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বিদ্যুতের তারের সাহায্যে একটি পঞ্চায়েত ও একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সাবমার্সিবল পাম্প চলে। দু’টি পাম্পের সাহায্যে প্রায় ১০০বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হয়।
চাঁদপুর এলাকার চাষি নয়ন সামুই বলেন, দু’টি সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে এলাকায় আলু জমিগুলিতে সেচ দেওয়া হয়। আচমকা চুরি হয়ে যাওয়ায় আমরা সেচ দেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছি। দ্রুত সংযোগ না দেওয়া হলে আলু চাষে ক্ষতি হয়ে যাবে।



