নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: গুছিতে ৭০টি পানই থাকবে, তার কম কিংবা বেশি নয়। সোমবার তমলুকে পানচাষি, আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিংয়ে এই মর্মে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না। প্রথমে তমলুকে জেলাশাসক অফিসে এবং তারপর কাঁকটিয়ার নজরুল মঞ্চে পানচাষি ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্ত্রী মিটিং করেন। মিটিংয়ে জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী, বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র, অতিরিক্ত জেলাশাসক(সাধারণ) সৌভিক চট্টোপাধ্যায়, মহকুমা শাসক দিব্যেন্দু মজুমদার সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৬টি পানের মার্কেট আছে। পুলিস ও প্রশাসনের অফিসারদের নিয়ে ওইসব মার্কেটে নজরদারি কমিটি থাকবে। সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জেলাশাসক জানান।
Advertisement
প্রতি গুছিতে কত পান থাকবে তা নিয়ে বছরের পর বছর পান চাষি, আড়ৎদার এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঝামেলা চলছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতেন পানচাষিরা। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী ৫০টি পান নিয়ে এক গুছি হয়। কিন্তু, পানের গুণগত মান সহ নানা অজুহাত দেখিয়ে আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীদের একাংশের চাপে গুছিতে একশো থেকে আড়াইশো পর্যন্ত পান দিতে হতো। অথচ ৫০টি পানের দাম পাওয়া যেত।
রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারামবাবু পান চাষিদের এই সমস্যা সমাধানে তৎপর হন। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪পরগনার পানচাষি ও পান ব্যবসায়ীদের নিয়ে দফায় দফায় মিটিং করেন। সরকারের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক আলোচনায় ঠিক হয়েছে, গুছিতে ৭০টি পান থাকবে। তার কম কিংবা বেশি থাকবে না। এই সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ী থেকে পানচাষি সকলেই সহমত। কিন্তু, এই নির্দেশ কার্যকর করতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। অনেক চাষি বিক্রি নিয়ে ঝক্কি এড়াতে গুছিতে ৭০টির বেশি পান দিচ্ছেন। তার ফলে সরকারি নির্দেশিকা ভাঙা হচ্ছে। এতে অন্য চাষিরাও সমস্যায় পড়ছেন। এদিন পানচাষিরা তাঁদের জন্য শস্যবিমার সুবিধা চালুর জন্য কৃষি বিপণন মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। তমলুকের রাধামণির পান চাষি দুলাল পাত্র, পরিমল জানা বলেন, প্রতি গুছিতে ৭০টি পান রাখার এই সিদ্ধান্তে আমরা উপকৃত হব।
রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারামবাবু পান চাষিদের এই সমস্যা সমাধানে তৎপর হন। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪পরগনার পানচাষি ও পান ব্যবসায়ীদের নিয়ে দফায় দফায় মিটিং করেন। সরকারের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক আলোচনায় ঠিক হয়েছে, গুছিতে ৭০টি পান থাকবে। তার কম কিংবা বেশি থাকবে না। এই সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ী থেকে পানচাষি সকলেই সহমত। কিন্তু, এই নির্দেশ কার্যকর করতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। অনেক চাষি বিক্রি নিয়ে ঝক্কি এড়াতে গুছিতে ৭০টির বেশি পান দিচ্ছেন। তার ফলে সরকারি নির্দেশিকা ভাঙা হচ্ছে। এতে অন্য চাষিরাও সমস্যায় পড়ছেন। এদিন পানচাষিরা তাঁদের জন্য শস্যবিমার সুবিধা চালুর জন্য কৃষি বিপণন মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। তমলুকের রাধামণির পান চাষি দুলাল পাত্র, পরিমল জানা বলেন, প্রতি গুছিতে ৭০টি পান রাখার এই সিদ্ধান্তে আমরা উপকৃত হব।



