সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সঙ্গত কারণ ছাড়াই কোতুলপুর হাসপাতাল চত্বরের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগে বিএমওএইচকে শোকজ করা হয়েছিল। তাঁকে সাত দিনের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। বুধবার তাঁর কাজে যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু, তার আগেই বিএমওএইচের বিরুদ্ধে হাসপাতাল চত্বরে পোস্টার পড়ল। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও এদিন বিএমওএইচ কাজে যোগ দেননি। তাঁর জায়গায় অন্য এক চিকিৎসক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। বিষ্ণুপুরের সিএমওএইচ গোপাল দাস বলেন, কোতুলপুরের বিএমওএইচকে সাত দিনের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। এদিন তাঁর কাজে যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু, শরীর অসুস্থ থাকার জন্য এদিন কাজে যোগদান করেননি। পোস্টারের বিষয়ে কিছু জানা নেই। বিএমওএইচ দেবাঞ্জন ঘোষ বলেন, হাসপাতাল চত্বরের গাছ কে বা কারা কেটেছে, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়েছে। তদন্তে আমার কোনও গাফিলতি পাওয়া যায়নি। কারও স্বার্থে আঘাত লাগার জন্যই তারা পাোস্টার দিয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সাদা কাগজে ছাপানো বড় বড় অক্ষরে ‘চোর বিএমওএইচ দূর হটো’ লেখা একাধিক পোস্টার কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালের বিভিন্ন দেওয়ালে সাঁটানো অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। যদিও কে বা কারা ওই পোস্টার সাঁটিয়েছে, তা তাঁরা কেউই বলতে পারেননি। মঙ্গলবার রাতের অন্ধকারে কেউ ওই পোস্টার সাঁটিয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন।
প্রসঙ্গত, কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে বহু পুরনো বিভিন্ন ধরনের একাধিক গাছ রয়েছে। তার মধ্যে দু’টি বড় গাছ কিছুদিন আগে কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়। একইভাবে মির্জাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরেও একাধিক গাছ কাটা হয় বলে অভিযোগ। কোনও সঙ্গত কারণ ছাড়াই ওই গাছ কাটা হয়েছে বলে হাসপাতালেরই একশ্রেণির কর্মী বিষ্ণুপুরের সিএমওএইচের কাছে অভিযোগ জানায়। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও পরিজনরা গ্রীষ্মকালে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেন। তাই ওই ট্রি-শেড ধ্বংসের বিরুদ্ধে স্থানীয়রাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেই মতো ডেপুটি সিএমওএইচ-২ এর নেতৃত্বের একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়। তাঁরা হাসপাতাল পরিদর্শন করে গাছ কাটার রিপোর্ট দেন।
প্রসঙ্গত, কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে বহু পুরনো বিভিন্ন ধরনের একাধিক গাছ রয়েছে। তার মধ্যে দু’টি বড় গাছ কিছুদিন আগে কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়। একইভাবে মির্জাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরেও একাধিক গাছ কাটা হয় বলে অভিযোগ। কোনও সঙ্গত কারণ ছাড়াই ওই গাছ কাটা হয়েছে বলে হাসপাতালেরই একশ্রেণির কর্মী বিষ্ণুপুরের সিএমওএইচের কাছে অভিযোগ জানায়। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও পরিজনরা গ্রীষ্মকালে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেন। তাই ওই ট্রি-শেড ধ্বংসের বিরুদ্ধে স্থানীয়রাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেই মতো ডেপুটি সিএমওএইচ-২ এর নেতৃত্বের একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়। তাঁরা হাসপাতাল পরিদর্শন করে গাছ কাটার রিপোর্ট দেন।



