অনিমেষ মণ্ডল, কাটোয়া: নির্জন গভীর অরণ্যে বসে নানারকম পাখির ডাক শুনলে সবার মন ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া বেড়াতে এসে জঙ্গল ও নানা ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ দেখার সুযোগও পাওয়া যাবে। আউশগ্রামের বড়চাতরায় এবার পর্যটন কেন্দ্র গড়া হবে। মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে গ্রামজুড়ে পর্যটকদের জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প সহ গভীর জঙ্গলে কটেজে রাত্রিবাস করা যাবে। ওয়াচ টাওয়ারে উঠে চারপাশের প্রকৃতির সঙ্গে নানা দেশি-বিদেশি পাখি দেখলে মন জুড়িয়ে যাবে।
Advertisement
আউশগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন, আউশগ্রামের দিগনগরে চাঁদনি জলটুঙ্গি রয়েছে। আউশগ্রাম-২ ব্লকে ভাল্কি মাচান রয়েছে। পর্যটক টানতে আমরা বড়চাতরা গ্রামে মাটির সৃষ্টি প্রকল্পে পর্যটন কেন্দ্র গড়ার প্রস্তাব পাঠিয়েছি। সেটা বাস্তবায়িত হলে আরও বেশি পর্যটক টানা যাবে আউশগ্রামে। প্রায় তিন কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম-১ ব্লকের বড়চাতরা এলাকায় গভীর জঙ্গল রয়েছে। ওই জঙ্গলে যাওয়ার রাস্তাও উঁচু-নিচু। সেখানেই এই অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্পটি তৈরি করা হবে। আগেই এজন্য জায়গা দেখা হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৫০ একর সরকারি জমির উপর এই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। রাজ্য সরকার প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবে। প্রাথমিকভাবে ওই এলাকায় জঙ্গল সাফাই থেকে শুরু করে রাস্তা তৈরি সবই করা হবে। তারপর যৌথভাবে কাজটি কয়েকটি ধাপে শুরু হবে। ওই অঞ্চলে তিনটি জলাশয়ে বেশ কয়েক প্রজাতির প্রচুর বিদেশি পাখি আসে। সাইবেরিয়ান বার্ড থেকে শুরু করে নানারকমের বিদেশি পরিযায়ী পাখির আনাগোনা আছে। কয়েক বছর ধরে প্রশাসন সেটি নজর রেখেছে। তাই ওই এলাকায় পূর্বস্থলীর চুপির মতো একটি পাখিরালয় তৈরি করবে। জঙ্গলে পাখি দেখা বা ছবি তোলার জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার গড়া হবে। যাঁরা জঙ্গলে ছবি তুলতে ভালোবাসেন অথবা অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ হলে তাঁদের জন্য একটি আদর্শ জায়গা হতে চলেছে। নির্জন গভীর জঙ্গলে রাত্রিবাসের জন্য বেশ কয়েকটি কটেজ গড়বে রাজ্য সরকার। পুরো এলাকায় একটি ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলা হবে। পর্যটকরা এই জঙ্গলে থাকার জন্য খাবার থেকে পানীয় জল, সবরকম সুবিধাই পাবেন। বড়চাতরা গ্রামে সরকারি জমির উপর পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হবে। এই অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প তৈরির জন্য তিনটি দপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে।
আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানে পর্যটকরা আসেন। বড়চাতরা তার চেয়েও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে দাবি প্রশাসনের। উঁচু-নিচু লাল মাটির রাস্তা ধরে গভীর জঙ্গলে অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ পাওয়া যাবে। এই প্রকল্প থেকে একদিকে যেমন স্থানীয় বাসিন্দাদের কর্মসংস্থান হবে। তেমনই সরকারের আয় বাড়বে।
জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম-১ ব্লকের বড়চাতরা এলাকায় গভীর জঙ্গল রয়েছে। ওই জঙ্গলে যাওয়ার রাস্তাও উঁচু-নিচু। সেখানেই এই অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্পটি তৈরি করা হবে। আগেই এজন্য জায়গা দেখা হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৫০ একর সরকারি জমির উপর এই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। রাজ্য সরকার প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবে। প্রাথমিকভাবে ওই এলাকায় জঙ্গল সাফাই থেকে শুরু করে রাস্তা তৈরি সবই করা হবে। তারপর যৌথভাবে কাজটি কয়েকটি ধাপে শুরু হবে। ওই অঞ্চলে তিনটি জলাশয়ে বেশ কয়েক প্রজাতির প্রচুর বিদেশি পাখি আসে। সাইবেরিয়ান বার্ড থেকে শুরু করে নানারকমের বিদেশি পরিযায়ী পাখির আনাগোনা আছে। কয়েক বছর ধরে প্রশাসন সেটি নজর রেখেছে। তাই ওই এলাকায় পূর্বস্থলীর চুপির মতো একটি পাখিরালয় তৈরি করবে। জঙ্গলে পাখি দেখা বা ছবি তোলার জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার গড়া হবে। যাঁরা জঙ্গলে ছবি তুলতে ভালোবাসেন অথবা অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ হলে তাঁদের জন্য একটি আদর্শ জায়গা হতে চলেছে। নির্জন গভীর জঙ্গলে রাত্রিবাসের জন্য বেশ কয়েকটি কটেজ গড়বে রাজ্য সরকার। পুরো এলাকায় একটি ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলা হবে। পর্যটকরা এই জঙ্গলে থাকার জন্য খাবার থেকে পানীয় জল, সবরকম সুবিধাই পাবেন। বড়চাতরা গ্রামে সরকারি জমির উপর পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হবে। এই অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প তৈরির জন্য তিনটি দপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে।
আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানে পর্যটকরা আসেন। বড়চাতরা তার চেয়েও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে দাবি প্রশাসনের। উঁচু-নিচু লাল মাটির রাস্তা ধরে গভীর জঙ্গলে অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ পাওয়া যাবে। এই প্রকল্প থেকে একদিকে যেমন স্থানীয় বাসিন্দাদের কর্মসংস্থান হবে। তেমনই সরকারের আয় বাড়বে।



