Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গত বছরের তুলনায় আড়াই হাজার বেশি মূর্তির বায়না, খুশি কুমোরটুলি

সামনেই গণেশ চতুর্দশী। ফলে গণপতির মূর্তি তৈরি ঘিরে কুমোরটুলি এখন রীতিমতো ব্যস্ত। গত বছর গণেশ মূর্তির বরাত মিলেছিল প্রায় সাড়ে ন’হাজার।

গত বছরের তুলনায় আড়াই হাজার বেশি মূর্তির বায়না, খুশি কুমোরটুলি
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সামনেই গণেশ চতুর্দশী। ফলে গণপতির মূর্তি তৈরি ঘিরে কুমোরটুলি এখন রীতিমতো ব্যস্ত। গত বছর গণেশ মূর্তির বরাত মিলেছিল প্রায় সাড়ে ন’হাজার। এবার তা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, প্রায় বারো হাজার মূর্তি তৈরির বরাত পেয়েছেন মৃৎশিল্পীরা।

Advertisement

শিল্পীরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ মূর্তির অর্ডার এসেছে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি থেকে। মৃৎশিল্পী সংগঠনের কর্মকর্তারা জানান, এখন জোরকদমে চলছে দুর্গা তৈরি। তারই ফাঁকে হচ্ছে গণেশ তৈরির কাজ। ৮ থেকে ১২ ফুটের গণেশ তৈরি হচ্ছে। সমর পাল নামে এক মৃৎশিল্পী বলেন, ‘সঠিক সময়ের মধ্যে গণেশ তৈরি করে উদোক্তাদের দেওয়াই আমাদের এখন মূল লক্ষ্য। সে কারণে দিনরাত এক করে চলছে কাজ।’ শিল্পী রাজা পাল বলেন, ‘গত বছর ১৩টি গণেশ মূর্তি তৈরি করেছিলাম। এবার বরাত পেয়েছি ১৭টির। তার মধ্যে ছ’ফুটের গণেশ আছে ৮টি।’ তাঁর স্টুডিয়োতে চারজন কারিগর মূর্তি তৈরি করছেন। কারিগরদের বক্তব্য, ‘কিছু প্রতিমার কাজ শেষ করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে গোডাউনে। পুজোর দিনকয়েক আগে এসে উদোক্তারা নিয়ে যাবেন।’ মৃৎশিল্পী বরুণ পাল, চায়না পাল বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে গণেশ তৈরির কাজে সমস্যা হচ্ছিল। ত্রিপল টাঙিয়েও খুব একটা সুরাহা হচ্ছিল না। কাজ ঠিক মতো এগচ্ছিলই না। ক’দিন পরিবেশ একটু ভালো থাকায় গণেশ ও দুর্গা তৈরির কাজে গতি এসেছে। এখন অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে।’ রবিবার রবীন্দ্র সরণি, কু঩মোরটুলি স্ট্রিট, বনমালি সরকার স্ট্রিট সহ কুমোরটুলির বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘুরে দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন আকারের মূর্তির সঙ্গে বিক্রি হচ্ছে ছাঁচের সুদৃশ্য গণেশ। বহু ক্রেতা দরদাম করে ছাঁচের ঠাকুর কিনছেন।
সবমিলিয়ে গণেশের বায়না বেশি পেয়ে খুশি কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা। তাঁরা বলেন, ‘ পুজোর আগে দু’টো বেশি টাকা পাব এটাই আমাদের কাছে আনন্দের। আমরা খুশি অর্ডার বেশি আসছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ