নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: অন্ধকারে রাস্তার ধারে গাড়ি থামিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নেমেছিলেন চালক। ঠিক সেই সময়ই তাঁকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় কার্তিক মাহাত নামে ওই গাড়ি চালক জখম হয়েছেন। বর্তমানে তিনি দেবেন মাহাত সদর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তাঁর বাড়ি বেলগুমা পুলিস লাইনের কাছেই। ঘটনায় পুরুলিয়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিক ডাকবাংলো রোডের বাসিন্দা বাসুদেব সরকারের দীর্ঘদিনের গাড়ির চালক। বাসুদেববাবু বলেন, আদ্রায় এক আত্মীয়ের বিয়েতে গাড়ি নিয়ে সপরিবারে গিয়েছিলাম। ৭টা নাগাদ আমরা সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলাম। আমাদের নামিয়ে দিয়েই কার্তিক ফের গাড়ি নিয়ে পুরুলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। তারপর প্রায় ২০মিনিট পরেই কার্তিক আমাদের ফোন করে। সে জানায়, ও নাকি ছিনতাইবাজদের খপ্পরে পড়েছে। সেইসঙ্গে ওর বুকে ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরেছে। প্রচুর রক্তপাত হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে খবর, এরপর প্রবল যন্ত্রণা নিয়েই রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওভাবে পুরুলিয়া হাসপাতালে এসে পৌঁছান গাড়ির চালক। আপাতত তিনি বিপন্মুক্ত রয়েছেন। ঘটনার কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশা করি দুষ্কৃতীরা শীঘ্রই ধরা পড়বে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কাশীপুর থেকে লধুড়কাগামী রাস্তাতেই একটি জঙ্গলের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ওই গাড়ির চালক জানিয়েছেন। তবে, ঠিক কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গাড়ি নিয়ে ফেরার সময় ফাঁকা জায়গা দেখে টয়লেট করতে নেমেছিলেন ওই চালক। সেই সময়েই চার-পাঁচজন যুবক বাইকে করে এসে চালকের থেকে টাকা দাবি করে। এনিয়ে বচসা বাধে। ধস্তাধস্তি হয়। তখনই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। চালকের কাছে চার-পাঁচশো টাকা ছিল। তা নিয়ে গিয়েছে। তবে, ছিনতাইই যদি উদ্দেশ্য হবে, তাহলে গাড়ি বা মোবাইল ফোন কেন নিল না দুষ্কৃতীরা? এনিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে পুলিসের মনে। তবে, ওই চালক জানিয়েছেন, তিনি যখন গাড়ি থেকে নামেন, তখন তাঁর ফোনটি গাড়িতেই ছিল। চালকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে তাঁকে ফের এনিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিস। তবে, এধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত জেলার বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের কথায়, বাম আমলে এই ধরনের গাড়ি থামিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটত। রাস্তায় ফালি ফেলে দিয়ে গাড়ির চাকা লিক করে দেওয়া হতো। তারপর চলত অবাধে লুটপাট। সন্ধ্যার পর রাস্তাঘাট শুনশান হয়ে যেত। তবে, পালাবদলের পর এসব ঘটনার আর খবর তেমন পাওয়া যায় না। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় ফের সেই আতঙ্কের অতীত ঘাঁটতে শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। যদিও পুলিসের আশ্বাস, এটা বিছিন্ন ঘটনা। ভবিষ্যতে যাতে এধরনের ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করা হবে।
পুলিস সূত্রে খবর, এরপর প্রবল যন্ত্রণা নিয়েই রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওভাবে পুরুলিয়া হাসপাতালে এসে পৌঁছান গাড়ির চালক। আপাতত তিনি বিপন্মুক্ত রয়েছেন। ঘটনার কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশা করি দুষ্কৃতীরা শীঘ্রই ধরা পড়বে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কাশীপুর থেকে লধুড়কাগামী রাস্তাতেই একটি জঙ্গলের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ওই গাড়ির চালক জানিয়েছেন। তবে, ঠিক কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গাড়ি নিয়ে ফেরার সময় ফাঁকা জায়গা দেখে টয়লেট করতে নেমেছিলেন ওই চালক। সেই সময়েই চার-পাঁচজন যুবক বাইকে করে এসে চালকের থেকে টাকা দাবি করে। এনিয়ে বচসা বাধে। ধস্তাধস্তি হয়। তখনই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। চালকের কাছে চার-পাঁচশো টাকা ছিল। তা নিয়ে গিয়েছে। তবে, ছিনতাইই যদি উদ্দেশ্য হবে, তাহলে গাড়ি বা মোবাইল ফোন কেন নিল না দুষ্কৃতীরা? এনিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে পুলিসের মনে। তবে, ওই চালক জানিয়েছেন, তিনি যখন গাড়ি থেকে নামেন, তখন তাঁর ফোনটি গাড়িতেই ছিল। চালকের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে তাঁকে ফের এনিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিস। তবে, এধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত জেলার বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের কথায়, বাম আমলে এই ধরনের গাড়ি থামিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটত। রাস্তায় ফালি ফেলে দিয়ে গাড়ির চাকা লিক করে দেওয়া হতো। তারপর চলত অবাধে লুটপাট। সন্ধ্যার পর রাস্তাঘাট শুনশান হয়ে যেত। তবে, পালাবদলের পর এসব ঘটনার আর খবর তেমন পাওয়া যায় না। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় ফের সেই আতঙ্কের অতীত ঘাঁটতে শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। যদিও পুলিসের আশ্বাস, এটা বিছিন্ন ঘটনা। ভবিষ্যতে যাতে এধরনের ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করা হবে।



