নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কালীপুজোর ভোগ খাওয়ানোর সময় গায়ে পড়ে যায় জল। তার জেরে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে পিটিয়ে খুন করা হল এক ব্যক্তিকে। মৃতের নাম ক্ষুদিরাম ঘোষ(৪৫)। বাড়ি রামনগর এলাকায়। শনিবার রাতে গ্রামের একটি বাড়িতে কালীপুজো আয়োজন করা হয়েছিল। পুজো শেষে রাত ১২টা নাগাদ ভোগ খাওয়ানো হচ্ছিল। সেই সময় খাবার পরিবেশন করতে গিয়ে কয়েকজনের গায়ে জল পড়ে যায়। তারই প্রতিবাদে প্রথমে প্রতিবেশী দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তারপর লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে একে অপরকে। ওই সময় ক্ষুদিরামবাবুর মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিস। ক্ষুদিরামবাবুকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রবিবার দুপুরে দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। পুলিস জানিয়েছে, একটি খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। এখনও আমরা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারিনি। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। কোনও পুরনো বিবাদ ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
মৃতের ছেলে মনোজ ঘোষ বলেন, গ্রামে কালীপুজো ছিল। সেই উপলক্ষ্যে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল প্রতিবেশী। তাঁর বাড়িতে আমরা খেতে যাই। আমি খেয়ে চলে আসার পর বাবা সেখানে গিয়েছিল। খাবার পরিবেশনের সময় কয়েকজনের গায়ে জল পড়ে যায়। তার জেরে বাবাকে ওরা পিটিয়ে মেরেছে। যারা মেরেছে, তারা আমাদের প্রতিবেশী। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস ওদের খুঁজে বের করুক।
মৃতের ভাই তমাল ঘোষ বলেন, দাদা চাষবাস করত। তবে আমাদের বাড়ির বউমা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা। যারা আমার দাদাকে পিটিয়ে খুন করেছে ওরা সকলেই কংগ্রেস করে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর থেকে আমাদের পরিবারের উপর ওদের রাগ ছিল। সেই পুরনো রাগ থেকে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কি না পুলিস তদন্ত করুক। যদিও স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব ওই ঘটনা অস্বীকার করেছে। এক নেতা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। কালীপুজোর প্রসাদ বিলির সময় নিজেদের মধ্যে ঝামেলার পর ওই ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার রাতের এই ঘটনার পর রবিবার সকাল থেকে এলাকা ছিল থমথমে। পুলিস অফিসাররা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সামান্য জল পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এত বড় মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাবে আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। যারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের যেন অবিলম্বে শাস্তি হয়। পুলিসকে আমরা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার জন্য আবেদন করেছি।
মৃতের ভাই তমাল ঘোষ বলেন, দাদা চাষবাস করত। তবে আমাদের বাড়ির বউমা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা। যারা আমার দাদাকে পিটিয়ে খুন করেছে ওরা সকলেই কংগ্রেস করে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর থেকে আমাদের পরিবারের উপর ওদের রাগ ছিল। সেই পুরনো রাগ থেকে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কি না পুলিস তদন্ত করুক। যদিও স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব ওই ঘটনা অস্বীকার করেছে। এক নেতা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। কালীপুজোর প্রসাদ বিলির সময় নিজেদের মধ্যে ঝামেলার পর ওই ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার রাতের এই ঘটনার পর রবিবার সকাল থেকে এলাকা ছিল থমথমে। পুলিস অফিসাররা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সামান্য জল পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এত বড় মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাবে আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। যারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের যেন অবিলম্বে শাস্তি হয়। পুলিসকে আমরা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার জন্য আবেদন করেছি।



