সংবাদদাতা, ডোমকল: করোনার টিকা নিয়ে অনেকেরই জ্বর, গায়ে ব্যথা হয়েছিল। সেই ব্যথা ও জ্বরের ভয়ে অনেকেই নতুন কোনও টিকা নেওয়ার আগ্রহ হারিয়েছেন। টিকার কথা শুনলেই মনে কোভিড ভ্যাক্সিনের জ্বর, গায়ে ব্যথার স্মৃতি তাড়া করছে। সেই জ্বর ও গায়ে ব্যথার ছুতোয় বিসিজি টিকা নিতে চাইছেন না অনেকেই। প্রাপ্তবয়স্কদের একাংশকে বিসিজির টিকা নেওয়াতে গিয়ে রীতিমতো কালঘাম ছুটছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্লকগুলিতে বিসিজি টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়া নিয়েও তৈরি হচ্ছে শঙ্কা।
Advertisement
গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে জেলায় শুরু হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিসিজি টিকাকরণ কর্মসূচি। চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। বিগত পাঁচ বছরে টিবি হয়েছিল, আক্রান্ত রোগীদের দেখভাল করেন- এমন কয়েকটি পয়েন্টের উপর নির্ভর করে ব্লক এলাকাগুলিতে হেড কাউন্ট সমীক্ষা চালানো হয়। গত কয়েকমাস ধরে চলা সমীক্ষার শেষে, স্বাস্থ্যদপ্তর জেলায় প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। ব্লকগুলিকেও বেঁধে দেওয়া হয়েছে টিকাকরণের টার্গেট। সূত্রের খবর, পুরো ফেব্রুয়ারিজুড়ে বিভিন্ন ব্লকে সেই লক্ষ্যমাত্রার সামান্য অংশই পূরণ হয়েছে। জানা গিয়েছে, অনেকেই করোনার টিকা নেওয়ার পরে গা ব্যাথা, জ্বর হওয়াকে কারণ দেখিয়ে বিসিজির টিকা নিতে চাইছেন না। তাঁদের প্রশ্ন, ‘টিকা নেওয়ার পর জ্বর বা গায়ে ব্যাথা হলে আপনি দায় নেবেন?’ জবাবে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁদের ‘কিছু হবে না’ বোঝানোর চেষ্টা করলেও, অনেকেই তা মানতে চাইছেন না।
রানিনগর-১ ব্লকে হেড কাউন্ট সমীক্ষার শেষে প্রায় ৪৪ হাজার প্রাপ্তবয়স্ককে বিসিজির টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষে শনিবার পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন মাত্র ১৮৫০জন। একই অবস্থা রানিনগর-২ ব্লকেও। সেখানে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩১ হাজার। টিকা নিয়েছেন মাত্র ৩১২৬জন। জলঙ্গি ব্লকে প্রায় চার হাজার জন টিকা নিয়েছেন।
রানিনগর-১ ব্লকের বিএমওএইচ চিকিৎসক হাসানুল হাসিন বলেন, যক্ষ্মা নির্মূল করতে এই টিকাকরণের প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই জ্বর ও গা-ব্যথার ভয়ে টিকা নিচ্ছেন না। আমাদের তরফ থেকে তাঁদের বোঝানো হচ্ছে। মানুষকে সচেতনও করা হচ্ছে। মাইকিং করা হচ্ছে।
ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা বলেন, এই মুহূর্তে বিসিজির টিকা নিয়ে আমার কাছে কোনও বিশদ পরিসংখ্যান নেই। তা কতদূর সম্পূর্ণ হয়েছে বা কতটা বাকি রয়েছে, সেবিষয়ে এখন মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে আমাদের স্বাস্থ্যদপ্তর বিষয়টি দেখছে। বিভিন্ন শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে।
রানিনগর-১ ব্লকে হেড কাউন্ট সমীক্ষার শেষে প্রায় ৪৪ হাজার প্রাপ্তবয়স্ককে বিসিজির টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষে শনিবার পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন মাত্র ১৮৫০জন। একই অবস্থা রানিনগর-২ ব্লকেও। সেখানে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩১ হাজার। টিকা নিয়েছেন মাত্র ৩১২৬জন। জলঙ্গি ব্লকে প্রায় চার হাজার জন টিকা নিয়েছেন।
রানিনগর-১ ব্লকের বিএমওএইচ চিকিৎসক হাসানুল হাসিন বলেন, যক্ষ্মা নির্মূল করতে এই টিকাকরণের প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই জ্বর ও গা-ব্যথার ভয়ে টিকা নিচ্ছেন না। আমাদের তরফ থেকে তাঁদের বোঝানো হচ্ছে। মানুষকে সচেতনও করা হচ্ছে। মাইকিং করা হচ্ছে।
ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা বলেন, এই মুহূর্তে বিসিজির টিকা নিয়ে আমার কাছে কোনও বিশদ পরিসংখ্যান নেই। তা কতদূর সম্পূর্ণ হয়েছে বা কতটা বাকি রয়েছে, সেবিষয়ে এখন মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে আমাদের স্বাস্থ্যদপ্তর বিষয়টি দেখছে। বিভিন্ন শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে।



