সংবাদদাতা, ঘাটাল: যান নির্মাণে ‘কম্পোজিট মেটিরিয়াল’-এর কদর দুনিয়াজুড়ে। বিশেষ কাজের জন্য দু’টি পৃথক ‘মেটিরিয়াল’ বা উপাদান দিয়ে বানানো হয় একটি কম্পোজিট মেটিরিয়াল বা যৌগিক উপাদান।
Advertisement
দাসপুর-২ ব্লকের সীতাপুরের বাসিন্দা পিএইচডি স্কলার শুভম বুড়াই তেমনই এক কম্পোজিট মেটিরিয়াল তৈরি করে হইচই ফেলে দিয়েছেন গোটা বিশ্বে। এই বিশেষ মেটিরিয়ালটি আগুনকে দ্রুত ছড়াতে দেবে না। ফলে বিমান কিংবা গাড়ি বানানোর ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব যথেষ্ট।
হাল্কা ওজনের ওই কম্পোজিট মেটিরিয়ালের আবিষ্কার দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছে। আবিষ্কারটিকে মান্যতা দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক জার্নাল সেটি প্রকাশও করেছে। কোয়েম্বাটোরের অমৃতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এয়ারোস্পেস বিভাগের অধ্যাপক এবং গবেষণা বিভাগের প্রধান শান্তনু ভৌমিক বলেন, ‘শুভমের এই আবিষ্কার দেশকে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে।’অগ্নি প্রতিরোধক কম্পোজিট উপাদানগুলি বর্তমানে সারা বিশ্বেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে যাত্রীবাহী বিমান এবং গাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে। যেখানে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সাধারণত গাড়ি ও প্লেনে ব্যবহৃত উপাদানগুলি হাল্কা ও টেকসই হওয়া প্রয়োজন। শুভমের এই নতুন উপাদানটির এসব গুণাবলি থাকার পাশাপাশি এটি দ্রুত আগুন ছড়াতে দেয় না। যা প্রাণহানির ঝুঁকি কমায়।
আগুন কতটা দ্রুতগতিতে ছড়াবে তা নির্ভর করে কী ধরনের বস্তু দিয়ে ওই বাহনটি নির্মাণ করা হয়েছে তার উপর। শুভমের দীর্ঘদিনের গবেষণাগলব্ধ কম্পোজিট মেরিটিরিয়াল ব্যবহার করলে আগুন ছড়ানোর গতি অনেকটাই কম হবে। শুভম জানান, কার্বন ফাইবার পলিইথার ইমাইড এবং সিলিকন রাবার ফোম দিয়ে একটি স্যান্ডউইচ হাইব্রিড কম্পোজিট মেটিরিয়াল ব্যবহার করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই রোখা যাবে। শুভমের উদ্ভাবিত ‘আল্ট্রা লাইট ওয়েট ফায়ারপ্রুফ কম্পোজিট মেটিরিয়াল’ অত্যন্ত হাল্কা ওজনের হওয়ায় এয়ারোস্পেস এবং অটোমোটিভ সেক্টরে এটি দারুণভাবে কাজ করবে। আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় এই উপাদানটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শান্তনু বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি শুভমের এই আল্ট্রা লাইট ওয়েট ফায়ারপ্রুফ কম্পোজিট মেরিরিয়াল যুগোপযোগী আবিষ্কার। ওই মেটিরিয়াল গাড়ি বা প্লেনের ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনে অভিনব মাত্রা যোগ করবে। আন্তর্জাতিক জার্নালে শুভমের ওই রিসার্চ পেপারটি প্রকাশিত হয়েছে। ওই জার্নালে প্রকাশ পাওয়া মানে শুভমের পরিশ্রম বিশ্বজুড়ে অনেকটাই মর্যাদা পেল।’ শুভম সীতাপুর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, মেদিনীপুর কলিজিয়েট স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর কোলাঘাটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে মেকানিকাল ইঞ্চিনিয়ারিং পড়ে অমৃতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম টেক করেছেন। বাবা সুবীর বুড়াই স্বর্ণশিল্পী। মা সোমা বুড়াই গৃহবধূ। বোন সৌমিলি ২০২৫-এ মাধ্যমিক দেবে। খুব সাধারণ পরিবারের ছেলে শুভমের এই আবিষ্কার ঘাটাল মহকুমাকে একটা উচ্চতায় তুলে নিয়ে গেল। স্বাভাবিকভাবেই খুশি মহকুমার বাসিন্দারা।
হাল্কা ওজনের ওই কম্পোজিট মেটিরিয়ালের আবিষ্কার দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছে। আবিষ্কারটিকে মান্যতা দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক জার্নাল সেটি প্রকাশও করেছে। কোয়েম্বাটোরের অমৃতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এয়ারোস্পেস বিভাগের অধ্যাপক এবং গবেষণা বিভাগের প্রধান শান্তনু ভৌমিক বলেন, ‘শুভমের এই আবিষ্কার দেশকে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে।’অগ্নি প্রতিরোধক কম্পোজিট উপাদানগুলি বর্তমানে সারা বিশ্বেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে যাত্রীবাহী বিমান এবং গাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে। যেখানে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সাধারণত গাড়ি ও প্লেনে ব্যবহৃত উপাদানগুলি হাল্কা ও টেকসই হওয়া প্রয়োজন। শুভমের এই নতুন উপাদানটির এসব গুণাবলি থাকার পাশাপাশি এটি দ্রুত আগুন ছড়াতে দেয় না। যা প্রাণহানির ঝুঁকি কমায়।
আগুন কতটা দ্রুতগতিতে ছড়াবে তা নির্ভর করে কী ধরনের বস্তু দিয়ে ওই বাহনটি নির্মাণ করা হয়েছে তার উপর। শুভমের দীর্ঘদিনের গবেষণাগলব্ধ কম্পোজিট মেরিটিরিয়াল ব্যবহার করলে আগুন ছড়ানোর গতি অনেকটাই কম হবে। শুভম জানান, কার্বন ফাইবার পলিইথার ইমাইড এবং সিলিকন রাবার ফোম দিয়ে একটি স্যান্ডউইচ হাইব্রিড কম্পোজিট মেটিরিয়াল ব্যবহার করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই রোখা যাবে। শুভমের উদ্ভাবিত ‘আল্ট্রা লাইট ওয়েট ফায়ারপ্রুফ কম্পোজিট মেটিরিয়াল’ অত্যন্ত হাল্কা ওজনের হওয়ায় এয়ারোস্পেস এবং অটোমোটিভ সেক্টরে এটি দারুণভাবে কাজ করবে। আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় এই উপাদানটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শান্তনু বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি শুভমের এই আল্ট্রা লাইট ওয়েট ফায়ারপ্রুফ কম্পোজিট মেরিরিয়াল যুগোপযোগী আবিষ্কার। ওই মেটিরিয়াল গাড়ি বা প্লেনের ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনে অভিনব মাত্রা যোগ করবে। আন্তর্জাতিক জার্নালে শুভমের ওই রিসার্চ পেপারটি প্রকাশিত হয়েছে। ওই জার্নালে প্রকাশ পাওয়া মানে শুভমের পরিশ্রম বিশ্বজুড়ে অনেকটাই মর্যাদা পেল।’ শুভম সীতাপুর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, মেদিনীপুর কলিজিয়েট স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর কোলাঘাটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে মেকানিকাল ইঞ্চিনিয়ারিং পড়ে অমৃতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম টেক করেছেন। বাবা সুবীর বুড়াই স্বর্ণশিল্পী। মা সোমা বুড়াই গৃহবধূ। বোন সৌমিলি ২০২৫-এ মাধ্যমিক দেবে। খুব সাধারণ পরিবারের ছেলে শুভমের এই আবিষ্কার ঘাটাল মহকুমাকে একটা উচ্চতায় তুলে নিয়ে গেল। স্বাভাবিকভাবেই খুশি মহকুমার বাসিন্দারা।



