Bartaman Logo
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অন্ধকারে পূর্ত দপ্তরের জায়গায় ফল ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার চেষ্টা

রাতের অন্ধকারে পূর্ত দপ্তরের জায়গায় দোকান খোলার চেষ্টা। ঘটনাটি মঙ্গলবার রাতের কান্দি নেতাজী বাস টার্মিনাস এলাকার

অন্ধকারে পূর্ত দপ্তরের জায়গায় ফল ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার চেষ্টা
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: রাতের অন্ধকারে পূর্ত দপ্তরের জায়গায় দোকান খোলার চেষ্টা। ঘটনাটি মঙ্গলবার রাতের কান্দি নেতাজী বাস টার্মিনাস এলাকার। অভিযোগ, এদিন রাতে সেখানে প্রায় ৩০জন ব্যবসায়ী ফলের দোকান পাতার চেষ্টা করছিলেন। যদিও কান্দি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেয়।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কান্দির ওই বাস টার্মিনাস এলাকা থেকে একটি রাস্তা শহরের দিকে ঢুকেছে। আর শহরে ঢোকার মুখেই ওই রাস্তার পাশে রয়েছে পূর্ত দপ্তরের কান্দি মহকুমা অফিস। স্থানীয়দের দাবি, ওই রাস্তার পাশে পূর্ত দপ্তরের অফিসের দেওয়াল ঘেষে প্রায় ৩০টি ফলের দোকান ছিল। যেগুলি প্রায় আটমাস আগে উচ্ছেদ করা হয়। পরিবর্তে পূর্ত দপ্তরের ওই অফিসের কিছুটা জায়গায় নতুন করে একটি কমপ্লেক্স মার্কেট তৈরির কাজ শুরু করে কান্দি পুরসভা। মূলত উচ্ছেদ হওয়া ফল ব্যবসায়ীদের পুর্নবাসন দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ওই মার্কেট তৈরি করা হচ্ছিল বলে কান্দি পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।
কিন্তু মার্কেট তৈরি ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়। পূর্ত দপ্তরের জমি হস্তান্তর না হওয়ায় এই জটিলতা চলছিল বলে জানিয়েছেন পূর্ত দপ্তরের জেলা এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট অনুপ কুমার মাইতি। ফলে মার্কেট তৈরির কাজ আটকে যায়।
অন্যদিকে উচ্ছেদ হওয়া ফল ব্যবসাগঈরাো চরম ভোগান্তির শিকার হতে থাকেন। দোকান খোলার জায়গা না পেয়ে তাঁরা ওই রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ীভাবে সামগ্রী বেচাকেনা চালাতে থাকেন।
এরপর এদিন রাতে পুর্ত পপ্তরের অফিসের কাছে হঠাৎ করে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন রাত ১০টা নাগাদ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন ফল বিক্রেতা হঠাৎ করে পূর্ত দপ্তরের দেওয়াল ঘেষে ফের দোকান খোলার চেষ্টা করেন। রীতিমত বাঁশ কাঠ এনে দোকান পাতার কাজ শুরু করে দেন। এনিয়ে স্থানীয় দুইপক্ষের মধ্যে ঝামেলাও বেধে যায়। পরে সেখানে কান্দি থানার পুলিশ পৌঁছলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। পুলিশ ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেয়।
এক ফল বিক্রেতা বলেন, আমাদের পুর্নবাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। তৎকালিন পুরসভার নেতৃত্বের প্রতি আমাদের ভরসাও ছিল। তাই আমরা অনেকেই নিজে থেকে দোকান সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রায় আটমাস ধরে আমরা কেউ ঠিকমতন দোকান খুলতে পারছি না। ফলে সংসারে অনটন নেমে এসেছে। তাই জোর করে পুরনো জায়গায় দোকান খোলা ছাড়া আমাদের অন্য উপায় ছিল না। কান্দি থানার এক অফিসার জানান, দোকান বসানো নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সামান্য ঝামেলা হয়েছিল। তা মিটেও গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ