Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্মার্ট ডাস্টবিন থেকে এআই নার্স! পূর্ব ভারতের বিজ্ঞান মেলায় হরেক মডেল

বাড়ির ছেলে বা মেয়েটা স্কুলে পৌঁছল কি? স্কুল থেকে কি বেরল? এসব জানার জন্য হাতে একটা ফোন দিয়ে দেওয়াই যায়!

স্মার্ট ডাস্টবিন থেকে এআই নার্স! পূর্ব  ভারতের বিজ্ঞান মেলায় হরেক মডেল
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাড়ির ছেলে বা মেয়েটা স্কুলে পৌঁছল কি? স্কুল থেকে কি বেরল? এসব জানার জন্য হাতে একটা ফোন দিয়ে দেওয়াই যায়! কিন্তু ফোন দেওয়াটাও কি ঠিক? এরকম ধন্দে যাঁরা আছেন, তাঁদের জন্য ওড়িশার নবম শ্রেণির এক স্কুলপড়ুয়া তৈরি করেছে একটি যন্ত্র। আবার দর্জিলিংয়ের দুই পড়ুয়া তৈরি করে ফেলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নার্স! আর এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে বিহারের এক পড়ুয়ার সৃষ্টি ‘স্মার্ট ডাস্টবিন’।

Advertisement


বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল মিউজিয়ামে (বিআইটিএম) শুরু হয়েছে পূর্ব ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা। বাংলা, বিহার, ওড়িশা থেকে দু’শোর বেশি পড়ুয়া ও শিক্ষক এই মেলায় যোগ দিয়েছেন। প্রদর্শিত হচ্ছে মোট ১০৮টি বিজ্ঞানভিত্তিক মডেল। এবছর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর ভিত্তি করে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞান মডেল হাজির করা হয়েছে। দার্জিলিং জেলার আর্মি পাবলিক স্কুল, বেঙডুবির একাদশ শ্রেণির দুই পড়ুয়া অলোক কুমার ও সংকেত চৌধুরী তৈরি করেছে এআই নার্স। তাদের কথায়, ‘রোগীর হাতে একটি তার বাঁধা থাকবে। সেখান থেকে বার্তা পেয়ে সরাসরি চিকিত্সককে রোগীর শারীরিক অবস্থার আপডেট পাঠাবে এআই নার্স। এমনকি, কোন কোন ওষুধ লাগতে পারে, সেটাও জানাবে। সেই ওষুধ স্থানীয় কোন দোকানে পাওয়া যাবে, তাও বলে দেবে।’ সবটা তৈরি করতে হাজার পঁচিশেক টাকা খরচ হবে বলে জানাল তারা। ওড়িশার আয়ুষকুমার দে তৈরি করেছে ‘স্মার্ট’ সচিত্র পরিচয়পত্র। ওড়িশার ওএভি জামিরডিহা স্কুলের নবম শ্রণির ওই পড়ুয়ার কথায়, ‘ছাত্রছাত্রীরা এই আই কার্ড পাঞ্চ করলেই বাড়ির লোকের কাছে একটি এসএমএস চলে যাবে। তাঁরা সন্তানের অবস্থান জেনে নিতে পারবেন। পাশাপাশি, এই  আই কার্ডে একটি বোতাম থাকছে, যা বিপদে পড়ে টিপলেই একেবারে লোকেশন সহ ফোনে বার্তা যাবে।’ বিহারের অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া শিবম কুমার পাটনায় ঘুরে দেখেছে, রাস্তায় যত্রতত্র জঞ্জালের স্তূপ। সেসব দেখে তার মনে হল, ‘স্মার্ট ডাস্টবিন’ তৈরি করা দরকার। সে বলছে, ‘এই ডাস্টবিনের সামনে এসে দাঁড়ালে ঢাকনা খুলে যাবে নিজে থেকে। নোংরা ঢাকনায় হাত দিতে হবে না। ডাস্টবিন একজন মনিটর করবে। সেখানে দেখা যাবে, কত শতাংশ ভর্তি হয়েছে সেটি।’ সে নিজের স্কুলেও এরকম একটি ডাস্টবিন বসিয়েছে। প্রতিটা রাজ্যের জেলাস্তরে সেরা হওয়ার পরই এই মেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে পড়ুয়ারা। এর মধ্য থেকেও সেরা মডেল নির্বাচিত হবে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ