Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আসানসোলের কল্যাণপুরে থিমে বৌদ্ধমঠ থেকে স্বামীনারায়ণ মন্দির

বিশ্বজুড়ে এখন অশান্তি। একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বছরের পর বছর ধরে চলছে। অন্যদিকে চলছে ইজরায়েল-গাজা যুদ্ধ।

আসানসোলের কল্যাণপুরে থিমে বৌদ্ধমঠ থেকে স্বামীনারায়ণ মন্দির
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুমন মুখোপাধ্যায়, সিউড়ি: বিশ্বজুড়ে এখন অশান্তি। একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বছরের পর বছর ধরে চলছে। অন্যদিকে চলছে ইজরায়েল-গাজা যুদ্ধ। তালিকায় সাম্প্রতিক সংযোজন হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরান, আমেরিকা সহ নানা দেশের যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বশান্তির বার্তা দিতে গৌতম বুদ্ধের আদর্শকে সামনে রেখে বৌদ্ধ মঠের আদলে মণ্ডপ গড়ে উঠছে আসানসোলের কল্যাণপুর কে সেক্টরে। ৪০তম বর্ষে এখানে কাম্বোডিয়ার বৌদ্ধ মঠের আদলে পুজো মণ্ডপ হচ্ছে। নবদ্বীপ থেকে শিল্পীরা এসে তিনমাস ধরে মণ্ডপ তৈরির কাজ করছেন। থিমের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে প্রতিমা তৈরি করছেন দুর্গাপুরের অরুণ পাল। মণ্ডপে প্রবীণদের ঢোকার জন্য পৃথক গেট থাকছে। ক্লাবের সদস্য ভূদেব মুখোপাধ্যায় বলেন, আসানসোলের ব্লাইন্ড স্কুলের পড়ুয়ারাই ফিতে কেটে মণ্ডপের উদ্বোধন করবে। তার আগে মেলাবুড়ি কালী মন্দির থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হবে। সেখানে মা দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক, এমনকী মহিষাসুর সেজেও শিল্পীরা হেঁটে মণ্ডপ পর্যন্ত আসবেন। কল্যাণপুরের সবচেয়ে পুরনো পুজো আয়োজন করে কল্যাণপুর আদি দুর্গাপুজো কমিটি। এবার তাঁদের পুজোর ৪৬তম বর্ষ। কলকাতার স্বামীনারায়ণ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ গড়ে উঠছে। সাবেকি প্রতিমায় পুজো হবে। ইতিমধ্যেই মণ্ডপে প্রতিমা এসে গিয়েছে। জোরকদমে মণ্ডপ তৈরির কাজ চলছে। পুজো উদ্যোক্তা প্রশান্ত ভট্টাচার্য বলেন, চতুর্থীর দিন এলাকার বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় পুজোর উদ্বোধন করবেন।কল্যানপুরের স্কিম-২এর সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি এবার অভিনব থিম করেছে। ৪৫তম বর্ষে তাঁদের থিম ‘সিংহাসনে সিংহবাহিনী’। কলোনির মাঝে নেতাজি শিশু উদ্যানে এই পুজো বরাবরই থিমভাবনায় চমক দিয়েছে। কম বাজেটের পুজো হলেও অভিনব থিম থাকায় হাজার হাজার মানুষ এই পুজো দেখতে আসেন। এবার তাঁরা পুরো মণ্ডপ সিংহাসনের আদলে গড়ে তুলছে। সিংহাসনের ভিতরে প্রবেশ করে মায়ের দর্শন পাওয়া যাবে। সেখানে বিশাল এক সিংহের পিঠে দ্বিভূজা মা দুর্গাকে দেখা যাবে। হাতে ত্রিশূল থাকলেও তাঁর রূদ্রমূর্তি নেই। অসুর দেবীর পায়ের তলায় নেই। তিনি কিছুটা দূরে করজোড়ে নতমস্তকে মায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পুজো উদ্যোক্তা জয়দেব বর্মন বলেন, অষ্টমী ও নবমী দু’দিন বসিয়ে প্রসাদ খাওয়ানো হয়।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ