Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলাদেশি সন্দেহে বিষ্ণুপুরের পরিযায়ী শ্রমিক আটক মুম্বইয়ে, অভিষেকের নির্দেশে গেল তৃণমূলের প্রতিনিধিদল

বিষ্ণুপুর থানার জুলপিয়া এলাকার বাসিন্দা বাবাই সর্দার গত দুই বছর ধরে মুম্বইয়ে কাজ করছেন

বাংলাদেশি সন্দেহে বিষ্ণুপুরের  পরিযায়ী শ্রমিক আটক মুম্বইয়ে, অভিষেকের নির্দেশে গেল তৃণমূলের প্রতিনিধিদল
  • ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গত কয়েকদিন ধরে ফোন বন্ধ। করা যাচ্ছে না যোগাযোগ। তাহলে কি বাংলায় কথা বলার জন্য ছেলেকে আটক করা হয়েছে? এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করল পরিবার। এই নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় তারা। বিষ্ণুপুর থানার জুলপিয়া এলাকার বাসিন্দা বাবাই সর্দার গত দুই বছর ধরে মুম্বইয়ে কাজ করছেন। গত শুক্রবারের পর তাঁর সঙ্গে কোনও কথা বলতে পারেননি বাবা-মা। বর্তমানে যেভাবে বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের, তাতে যেন আরও বেশি চিন্তায় পড়েছে সর্দার পরিবার। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও দেখে উদ্বেগ বেড়েছে তাদের। বাবাইয়ের বাবা মা বলেন, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশি সন্দেহে মুম্বইয়ে ১০৬ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাতে আমার ছেলেও রয়েছে। দ্রুত যাতে ছেলেকে ফিরিয়ে আনা হয়, সেই আবেদন জানিয়েছে পরিবার।

Advertisement

এদিকে এই খবর পেয়ে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সর্দার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তথা পরিবহণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দিলীপ মণ্ডল। সাংসদের নির্দেশে, স্থানীয় চার জনপ্রতিনিধিকে মুম্বইয়ে পাঠানো হয়েছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য। দিলীপবাবু বলেন, কোথায় এবং কী অবস্থায় ওই যুবক আছে, সেটা দেখতেই তাঁদের পাঠানো হয়েছে। ওকে যদি ছেড়ে দেয় ভালো, না হলে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মুম্বই যাবেন বলে জানিয়েছেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নিয়ে বিষ্ণুপুর থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি করা হয়েছে। আজ, রবিবার এক পুলিস আধিকারিক মুম্বই গিয়ে তৃণমূলের ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুবককে ফেরানোর কাজে হাত লাগাবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবকের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড সহ যাবতীয় পরিচয় পত্র বিষ্ণুপুরের। নিজের কাছেও সেগুলি রয়েছে। তারপরও কীভাবে তাঁকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হল, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সর্দার পরিবারকে মন্ত্রী সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিলেও, ছেলে না ফেরা পর্যন্ত স্বস্তি পাচ্ছেন না তাঁরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ