সংবাদদাতা, কাটোয়া: ফেসবুকেই আলাপ, সেখান থেকেই বন্ধুত্ব দু’জনের। কিন্তু বান্ধবী আত্মহত্যা করায় টানা কয়েকদিন ফোনে যোগাযোগ করতে পারেননি। বন্ধুত্বের টানে সুদুর উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রায় দু’হাজার কিমি রাস্তা পাড়ি দিয়ে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের জঙ্গলমহলে এলেন বান্ধবী আশু কুমারী। বৃহস্পতিবার বাড়িতে এসে বান্ধবীর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে চোখে জলও ফেলেন তিনি। গ্রামের বাসিন্দারা উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা ওই বান্ধবীকে পুলিসের হাতে তুলে দেন। প্রায় ১২দিন আগে আউশগ্রামের বেলুটি গ্রামের মেয়ে টুম্পা খাতুন(২১) ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন। ভেদিয়া ও পিচকুড়ি স্টেশনের কাছে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। টুম্পার সঙ্গেই তিন বছর ধরে ফোনে বন্ধুত্ব হয়েছিল আশু কুমারীর। তাঁরা কোনওদিন একে অপরকে দেখেননি। শুধুই ফোনে একে অপরের সুখ-দুঃখের কথা ভাগ করে নিতেন। মাসখানেক আগে টুম্পার সঙ্গে গ্রামেরই এক যুবকের বিয়ে হয়। কিন্তু টুম্পা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। সেকারণে আত্মঘাতী হয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। যদিও মৃত্যুর সঠিক কারণ এখন অজানা। ফোনে কয়েকদিন ধরেই বান্ধবীর খবর না পেয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন উত্তরপ্রদেশের ওই বান্ধবী।



