৩১ আগষ্ট, বেজিং: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে ‘দাদাগিরি’-র জেরে বদলে গিয়েছে বিশ্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। কাছে আসছে এশিয়ার দুই মহাশক্তিধর দেশ চীন ও ভারত! যা কিনা গত বছরও ছিল কার্যত অসম্ভব ভাবনা।
৩১ আগষ্ট, বেজিং: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে ‘দাদাগিরি’-র জেরে বদলে গিয়েছে বিশ্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। কাছে আসছে এশিয়ার দুই মহাশক্তিধর দেশ চীন ও ভারত! যা কিনা গত বছরও ছিল কার্যত অসম্ভব ভাবনা।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দেখা গিয়েছে দিল্লি এবং বেজিং একে অন্যের প্রতি সুর নরম করেছে। এমন পরিস্থিতিতে, আজ রবিবার চীনের তিনায়নজনে জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ সাত বছর পর ফের একবার চীনে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, দুই নেতার আলোচনাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে।
প্রায় এক ঘন্টা ধরে চলা এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির উপর জোর দেন। সীমান্ত বিরোধের বিষয়ে বিশেষ প্রতিনিধিদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি, কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু করার কথা উল্লেখ করেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উভয় দেশের ২.৮ বিলিয়ন মানুষের স্বার্থ আমাদের সহযোগিতার সঙ্গে জড়িত। এটি সমগ্র মানবতার কল্যাণের পথও প্রশস্ত করবে। আমরা পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধার ভিত্তিতে দুদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”
অন্যদিকে, জিনপিং বলেন, “চীন ও ভারত বিশ্বের সবচেয়ে দুটি সভ্য দেশ। আমরা বিশ্বের দুটি সর্বাধিক জনবহুল দেশ, ড্রাগন (চীন) ও হাতির (ভারত) ভালো বন্ধু হওয়া এবং ভালো প্রতিবেশী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”