নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: হাতে আগে থেকেই ছিল ব্যাংকের নথি। ফোন করে সেই নথির তথ্য হুবহু বলে দিয়ে বিশ্বাসও অর্জন করেছিল প্রতারক। তারপর ধাপে ধাপে চাওয়া হয় এটিএম কার্ডের নম্বর সহ আরও কিছু তথ্য। শেষে অনলাইনে একটি ফর্ম পূরণ করানো হয়। সেই ফাঁদেই পা দিয়ে বারাসতের ভবানীশঙ্কর সাহা এবং তাঁর চিকিৎসক ছেলের অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া গেল ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।বারাসাত শহরের বনমালীপুরের বাসিন্দা ভবানীশঙ্কর সাহা। তাঁর অভিযোগ, ২২ সেপ্টেম্বর একটি ফোন আসে। ফোনের অপরপ্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে গৌতম সেন বলে পরিচয় দেন। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ‘সেকেন্ড অফিসার’ বলেও পরিচয় দেন তিনি। অভিযোগ, ভবানীবাবুর ব্যাংক সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য ও নথি তখনই প্রতারকদের হাতে ছিল। ফোনে সেই তথ্যের উল্লেখ করে তাঁকে বিশ্বাস করানো হয়। ফলে, সন্দেহের কোনো কারণ দেখেননি ভবানীবাবু। এরপর শুরু হয় দ্বিতীয় ধাপ। ‘কেওয়াইসি’-র কাজের কথা বলে তাঁর কাছে আরও কিছু তথ্য চাওয়া হয়। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে এটিএম কার্ডের নম্বর সহ আরও কয়েকটি তথ্য দেন তিনি। এর পর তাঁকে একটি অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়। সেটিও পূরণ করেন ভবানীবাবু। অভিযোগ, ফর্ম পূরণের কিছু পরেই শুরু হয় টাকা উধাও। ভবানীবাবুর অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি তাঁর চিকিৎসক ছেলের অ্যাকাউন্ট থেকেও টাকা তুলে নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা খোয়া গিয়েছে বলেই জানান ভবানীবাবু। বিষয়টি বুঝতে পেরে বারাসত সাইবার সেল এবং বারাসত থানায় অভিযোগ করেন। শুরু হয়েছে তদন্ত।-নিজস্ব চিত্র



