Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সহ গ্রেপ্তার চারজন

গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে রবিবার স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আরামবাগ থানার পুলিশ।

বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে স্বামী সহ গ্রেপ্তার চারজন
  • ৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে রবিবার স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আরামবাগ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম নবনীতা পাত্র(২৩)। বাড়ি আরামবাগের রসুলপুরে। বধূর মৃত্যুর পর বাপেরবাড়ির লোকজন রসুলপুরে শ্বশুরবাড়িতে চড়াও হয়। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। পাশাপাশি ভাঙচুরও চালানো হয় বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

Advertisement

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গৌরহাটির বাসিন্দা নবনীতার সঙ্গে বছর দুয়েক আগে দক্ষিণ রসুলপুরের বিক্রম সিংয়ের বিয়ে হয়। বিক্রম মায়াপুরে কাপড়ের দোকানে কাজ করে। দেখাশোনা করেই তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকে নবনীতার উপর শ্বশুরবাড়িতে অত্যাচার চালানো হত বলে অভিযোগ। মৃতার বাবা মহাবীর পাত্র বলেন, মেয়ে কালো বলে খোঁটা দিত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অথচ বিয়ের আগে একাধিকবার দেখাশোনা করতে যায় ছেলের বাড়ির লোকজন। তারপর মেয়ের ধুমধাম করে বিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু, শ্বশুরবাড়ির সবাই মিলে মেয়ের উপর নানাভাবে অত্যাচার করত। এদিন বাড়িতে গিয়ে দেখি মেয়ের দেহ বিছানায় শোয়ানো রয়েছে। মেয়েকে ওরা মেরে ফেলল। এই পরিণতির জন্য দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই। 
মৃতার তুতো দিদা সমিতা সাঁতরা বলেন, আমাদের মেয়েকে বিয়ের সময় নানা অলংকার দেওয়া হয়েছিল। তারপরেও নানাভাবে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করা হত। 
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
 গৃহবধুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় থানা চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। (ইনসেটে) মৃত গৃহবধূ। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ