নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: বিজেপির নয়া জেলা সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতেই দলের অন্দরে ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুরু। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে গেরুয়া শিবিরের জেলা সভাপতি পদের জন্য চারটি মনোনয়ন জমা পড়ে। দুপুরেই ওই নাম পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাজ্যস্তরে। আর এনিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন একাংশ কর্মী। নোটিফিকেশন জারি এবং মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্ব অত্যন্ত চুপিসারে সেড়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির ওই নেতা-কর্মীর। ফলে গোটা বিষয়টি নিয়ে দলের অন্দরে দানা বেঁধেছে বিতর্ক।
এদিকে, যে চারজন জেলা সভাপতি পদের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, তাঁদের একজন জলপাইগুড়ির বর্তমান সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত রায়ের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। আর একজন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ জন বারলার পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন। বিজেপির জেলা সভাপতি নির্বাচনে দলের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার অনন্তদেব অধিকারী বলেন, জেলা সভাপতি পদের জন্য এদিন চারটি মনোনয়ন জমা পড়েছে।
বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলার প্রাক্তন সহ সভাপতি তথা দলের বিক্ষুব্ধ নেতা হিসেবে পরিচিত অলোক চক্রবর্তী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি করছি। কী এমন ঘটনা ঘটল রাতের অন্ধকারে নোটিফিকেশন জারি করে চুপিসারে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে হল? তাঁর তোপ, আমি দলের প্রাক্তন সহ সভাপতি। বর্তমানে দলের একজন সক্রিয় সদস্য। সবটা দলের সবাইকে জানিয়ে করলে আরও বেশি মনোনয়ন জমা পড়ত বলে মনে করি।
অন্যদিকে, বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পদে বহাল থাকছেন অরুণ মণ্ডল! বৃহস্পতিবার বিকেলে এ খবর পেতেই নেতা-কর্মীদের একটি বড় অংশের মধ্যে উল্লাস দেখা যায়। যদিও বিকেল পর্যন্ত দলের তরফে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ছাড়া বাকি সব জেলাতেই জেলা সভাপতি পদে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। অরুণ মণ্ডল বলেন, দলের তরফে সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি। নেতাকর্মীদের একাংশের কাছ থেকে খবর পাচ্ছি।