Bartaman Logo
২১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাপির আরও চারটি বেআইনি আতসবাজি কারখানা চলছিল

বাজি কারখানার বিস্ফোরণ স্থলের দেড় কিলোমিটার দূরে পিয়ালী খাল পাড় থেকে শুরু করে রাস্তার ধারে বেআইনি বাজির কারখানা। সবই বাজি ব্যবসায়ী বাপি নস্করের।

বাপির আরও চারটি বেআইনি  আতসবাজি কারখানা চলছিল
  • ২১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: বাজি কারখানার বিস্ফোরণ স্থলের দেড় কিলোমিটার দূরে পিয়ালী খাল পাড় থেকে শুরু করে রাস্তার ধারে বেআইনি বাজির কারখানা। সবই বাজি ব্যবসায়ী বাপি নস্করের। বিস্ফোরণ হতেই কারখানাগুলি থেকে চম্পট দিয়েছে শ্রমিকরা। ঝুলছে তালা। কীভাবে বেআইনি বাজি কারবার রমরমিয়ে চালাচ্ছিল বাপি। পুলিশ প্রশাসন কিছুই জানত না কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এলাকায়।

Advertisement

হাড়ালের পোল থেকে উত্তরভাগ যাওয়ার রাস্তায় ধানখেতের পাশে টিন আর ছাউনির ঘরে চলছে বাপির বাজি কারখানা। সেখানেও মজুত প্রচুর শেল বাজির খোল থেকে শুরু করে বস্তা ভরতি বারুদ। আবার হাড়াল পোল থেকে হাড়াল মোড় যাওয়ার কংক্রিটের রাস্তার পাশে টিনের ছাউনির ঘর। এটাও বাজি কারখানা। সেখানেও বোম তৈরির উপাদান, বারুদ ভরতি। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, চারটি বেআইনি বাজি কারখানা আছে বাপির। উত্তরভাগ যাওয়ার রাস্তায় আরও দুটি আছে। কীভাবে এত কারখানা চালাত হাড়ালের বাসিন্দা বাপি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বারুইপুর পুলিশ জেলা প্রশাসন থেকে চম্পাহাটি পুলিশ ক্যাম্প কিছুই জানে না এই ব্যাপারে? বাসিন্দারা বলেন, স্থানীয় চম্পাহাটি পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে পুলিশ সব জানে। টাকা দিয়ে মেটানো হয়েছে। উত্তরভাগ যাওয়ার রাস্তায় একেবারে নির্জন জায়গা বাপি বেছে নিয়েছিল কারখানার জন্য। যাতে লোকজনের সন্দেহ না হয়। কিন্তু লোকবসতির মধ্যে হাড়ালের মোড় যাওয়ার রাস্তার পাশে কীভাবে কারখানা গজিয়ে উঠল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যে কোনো দিন বড়ো দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাসিন্দাদের। বাপির এহেন কারবার নিয়ে মুখে কুলুপ হাড়ালের বাজি ব্যবসায়ীদের। কিছু বলতে নারাজ হাড়ালের বাজি ব্যবসায়ী সংগঠনও। তবে কী সব জেনেও নীরব থেকেছে এঁরা প্রশ্ন উঠছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ