Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নাগেরবাজারে বেহাল বাসস্ট্যান্ডের চাঙড় খসে জখম চার, দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস

বাস স্ট্যান্ড সংস্কার হয়নি দীর্ঘদিন। যে কোনওদিন বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আতঙ্কে থাকতেন যাত্রীরা। সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা নাগেরবাজার বাস স্ট্যান্ডের ছাদ থেকে চাঙড় খসে পড়ে।

নাগেরবাজারে বেহাল বাসস্ট্যান্ডের চাঙড় খসে জখম চার, দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস
  • ২৪ জুলাই, ২০২৫ ১৫:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: বাস স্ট্যান্ড সংস্কার হয়নি দীর্ঘদিন। যে কোনওদিন বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আতঙ্কে থাকতেন যাত্রীরা। সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা নাগেরবাজার বাস স্ট্যান্ডের ছাদ থেকে চাঙড় খসে পড়ে। তাতে চারজন যাত্রী অল্পবিস্তর জখম হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন তাঁরা। অফিস টাইমে এই ঘটনা ঘটলে আরও বড় বিপদ হতো। এই ঘটনায় নিত্যযাত্রীদের ক্ষোভ চরমে উঠেছে। ওইদিন রাতেই নাগেরবাজার বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে আসেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি দ্রুত বাস স্ট্যান্ড সংস্কারের জন্য পরিবহণ দপ্তরের পাশাপাশি পুরসভার সঙ্গেও কথা বলেছেন। ইতিমধ্যেই আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে পুরসভা বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাগেরবাজার বাসস্ট্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। এখান থেকে হাওড়া, সলপ, গোলপার্ক, সায়েন্স সিটি সহ বিভিন্ন রুটের বাস চলাচল করে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই স্ট্যান্ড থেকে বাস ধরেন। কিন্তু স্ট্যান্ডের বেহাল পরিস্থিতির বদল হয় না। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে তৎকালীন পরিবহণমন্ত্রী নাগেরবাজার এলাকায় সভা করে বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের জন্য ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছিলেন। পরে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার কাজের টেন্ডার ঝোলায় পূর্তদপ্তর। এরপর ঠিকাদার কাজের জন্য এলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখালে তিনি কাজ না করেই ফিরে যান। তারপর থেকে আর কাজ হয়নি।
বাসস্ট্যান্ডের ছাদ চুঁইয়ে কোথাও জল পড়ছে, কিছু জায়গায় চাঙড় বিপজ্জনকভাবে ঝুলে রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই ছাদের বড় অংশের চাঙড় খসে পড়ে। ওই চাঙড়ের একাংশ নাগেরবাজার-গোলপার্ক রুটের ২২১ নম্বর বাসের উপর পড়ে। বাকি অংশ পড়ে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের পাশে। তাতেই জখম হন চারজন। নিত্যযাত্রী স্বপন রুদ্র, সঞ্চারী দত্ত বলেন, প্রতি মুহূর্তে আমরা আতঙ্কে থাকি। আমাদের মাথাতেও চাঙড় ভেঙে পড়তে পারত। একরাশ আতঙ্ক বুকে নিয়ে রোজ বাস ধরতে হয় আমাদের।
স্থানীয় কাউন্সিলার অভিজিৎ মিত্র বলেন, মন্ত্রী ব্রাত্য বসু পুরসভার চেয়ারম্যানকে ফোন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের জন্য পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি। সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে পুরসভা সংস্কারের কাজ করবে। পরে পরিবহণ দপ্তর পাকাপাকিভাবে মেরামতির কাজ করবে। বুধবার মাপজোক করা হয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ