সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: ব্যাঙ্কে নকল সোনা জমা দিয়ে কয়েক কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তারকেশ্বরে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে প্রতারণা চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে তারকেশ্বর থানার পুলিস।
সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: ব্যাঙ্কে নকল সোনা জমা দিয়ে কয়েক কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তারকেশ্বরে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে প্রতারণা চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে তারকেশ্বর থানার পুলিস।
২০২৩ সালে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের তারকেশ্বর শাখা থেকে প্রথম অভিযোগ জমা পড়ে তারকেশ্বর থানায়। তাতে দাবি করা হয়, নকল সোনা ব্যাঙ্কে জমা রেখে ৬০ লক্ষ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। তারকেশ্বর থানার অন্তর্গত চারটি ব্যাঙ্ক থেকে একইভাবে ঋণ নেওয়া হয়। যার মোট পরিমাণ ৩ কোটি টাকার বেশি। তারকেশ্বর থানায় পাঁচটি অভিযোগ জমা পড়ে। তদন্তে নেমে একের পর এক জট খুলতে শুরু করে তারকেশ্বর থানার পুলিস। লোন প্রাপকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নকল সোনা দিয়ে ঋণ নেওয়ার প্রতারণা চক্রের চারজন গ্রেপ্তার হয়।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে অভিযোগ জমা পড়ে তারকেশ্বর থানায়। ব্যাঙ্ক থেকে জানানো হয় ৬-৭ জন সোনা রেখে লোন নেয়। অডিটের সময় জানা যায় সোনাগুলি নকল। তাদের নোটিস দেওয়া হয়। তবে ব্যাঙ্কের সঙ্গে তারা আর যোগাযোগ করেনি। অভিযোগ জমা পড়ে থানায়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে ব্যাঙ্কের এজেন্ট ও গোল্ড স্মিথ (যিনি সোনা যাচাই করেন)। সঙ্গবদ্ধভাবে এই অপরাধ করা হতো। নকল সোনা জমা দিয়ে ব্যাঙ্কে লোনের আবেদন জানানো হতো। গোল্ড স্মিথের কাজ ছিল, নকল সোনাকে আসল সোনা হিসেবে সার্টিফিকেট দেওয়া। ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া অর্থ ভাগ হতো অভিযুক্তদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার রাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করে তারকেশ্বর থানার পুলিস। ধৃতদের নাম ধর্মরাজ মালিক, সৌমদিত্য লোহার। এদের দুজনের বাড়ি তারকেশ্বর থানার কেটেরা গ্রামে। সঞ্জয় সাউ, বাড়ি তারকেশ্বর বিপিআর গেট এলাকায়। শুভঙ্কর পাত্র, বাড়ি তারকেশ্বর চাউলপট্টি। ধৃতদের চারদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।