সিওল, ১৯ ফেব্রুয়ারি : দেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে অপরাধী! মাত্র ১৪ মাসের মধ্যে এভাবেই ভাগ্য বদলে গিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইয়ন সুক ইওলের। দেশদ্রোহিতার অপরাধে আজ, বৃহস্পতিবার তাঁর বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল সেদেশের আদালত। এর আগে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে ইয়নের স্ত্রী কিম কেওন হি দোষী সাব্যস্ত হন। তাঁর ২০ মাসের কারাদণ্ড ইতিহাসে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর স্ত্রী একইসঙ্গে দোষী সাব্যস্ত হলেন।
২০২২ সালের ১৫ মে দক্ষিণ কোরিয়ার ত্রয়োদশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ইয়ন। কিন্তু ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে টিভিতে প্রচারিত ভাষণে হঠাৎ দেশে সামরিক শাসন চালুর কথা ঘোষণা করেন তিনি। দাবি করেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিদের’ দমন করতে এছাড়া কোনও বিকল্প নেই। যদিও ইয়নের পদক্ষেপকে ভালো চোখে দেখেননি দেশের মানুষ। সেদেশের আইনসভার সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে সে রাতেই সামরিক শাসন জারির সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন। ২০২৫ সালে বছর ৬৫ বয়সি এই রক্ষণশীল নেতাকে ইমপিচ করা হয়। এর পরে গ্রেপ্তার হন তিনি। প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ, আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া সহ নানা অভিযোগ আনা হয়। আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করল।