Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব, তাপস এবং বিশ্বজিৎ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হলেন রাজীব, তাপস ও বিশ্বজিৎ। রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি। বিস্তারিত পড়ুন।

অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব, তাপস এবং বিশ্বজিৎ
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একযোগে সরব হলেন তিন প্রাক্তন বিধায়ক। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস চট্টোপাধ্যায় এবং বিশ্বজিৎ দাস। তবে তাপস ও বিশ্বজিৎ কালীঘাট তৃণমূল ছেড়ে ঋতব্রত তৃণমূলে শামিল হলেও, রাজীব এখনও নিজের পরবর্তী অবস্থান ঘোষণা করেননি। পালটা এদিন বিকেলে কালীঘাট দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে মিলিত হন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, যার যেখানে ইচ্ছা চলে যান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার নতুন করে দল সাজাবেন।

Advertisement

এদিন নিজের ফেসবুক পেজ থেকে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই অভিষেককে চড়া সুরে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘দলের কেউ অভিষেককে চাইছেন না। অথচ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারাক্ষণ অভিষেকের প্রশংসা করে যাচ্ছেন। অভিষেককে বাঘের বাচ্চা বানাচ্ছেন মমতা। তৃণমূল তৈরির অবদান মমতার। আর দল শেষ করার জন্য দায়ী অভিষেক।’ পাশাপাশি রাজীবের আরও মন্তব্য, ‘আমার রাজনৈতিক জীবন-পরিবার শেষ করেছে অভিষেক। শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়েছেন অভিষেকের জন্যই। আর এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অভিষেকের নির্দেশে প্রার্থী পদের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে।’ অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব হলেও, ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ কী হবে,  সেটা স্পষ্ট করেননি রাজীববাবু। 
এদিন বিধানসভায় এসে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল শিবিরে শামিল হন রাজারহাট-নিউটাউনের প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি রাজনৈতিক কর্মী। সংগঠনের লোক। আমাকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কিন্তু সংগঠনের কাজ নিয়ে আমার কোনো কথা বলার সুযোগ ছিল না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। একজন যুবনেতা, যিনি এখন জেলে রয়েছেন (দেবরাজ চক্রবর্তী), তাঁর নির্দেশ ছিল, আগে তাঁকে সব বলতে হবে।’এরই পাশাপাশি বিধানসভায় এসে ঋতব্রত তৃণমূলে শামিল হয়ে অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব হন বনগাঁ উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। এদিন বিধানসভায় আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের অনশনে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবিতে অবস্থান করেন করেন মমতাপন্থী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষরা। সেখানে হঠাৎই ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরের মদন মিত্রকে দেখা যায়। অন্যদিকে এদিনই এনসিপিআই-র সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন কলকাতার প্রাক্তন কাউন্সিলর আমিরুদ্দিন ববি ও জীবন সাহা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ