Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

শুভমানকে নেতৃত্বের পাঠ প্রাক্তন অজি অধিনায়কের, এবারই গিলের আসল পরীক্ষা: গ্রেগ

অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফিতে তিন টেস্টে ৬০৭ রান করে ফেলেছেন শুভমান গিল। লর্ডসে তৃতীয় টেস্টে অবশ্য পুরোপুরি ব্যর্থ তিনি। দুই ইনিংস মিলিয়ে আসে মাত্র ২২ রান।

শুভমানকে নেতৃত্বের পাঠ প্রাক্তন অজি অধিনায়কের, এবারই গিলের আসল পরীক্ষা: গ্রেগ
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফিতে তিন টেস্টে ৬০৭ রান করে ফেলেছেন শুভমান গিল। লর্ডসে তৃতীয় টেস্টে অবশ্য পুরোপুরি ব্যর্থ তিনি। দুই ইনিংস মিলিয়ে আসে মাত্র ২২ রান। তবে তার আগে হেডিংলে ও এজবাস্টনে ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন ভারতীয় তারকা। অধিনায়ক হিসেবে যদিও গিল তেমন সফল নন। তিন টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে হেরেছেন দু’টিতে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার শুরু হতে চলা ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্ট হতে চলেছে তাঁর অগ্নিপরীক্ষা। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক গ্রেগ চ্যাপেল তেমনই মনে করছেন। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটে তিনি লিখেছেন, ‘ভারত এখন সিরিজের শেষ দুই টেস্টের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। কোনও সন্দেহ নেই, ২৫ বছর বয়সি গিলের উপরই থাকছে নজর। ও দারুণ প্রতিভাবান। ব্যাট হাতে শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় রেখেছে। নেতা হিসেবেও ঝলক দেখিয়েছে। তবে টেস্ট ক্যাপ্টেন হিসেবে ও কতদূর পৌঁছবে, তার ধারণা মিলবে এবার। কারণ সিরিজে ১-২ পিছিয়ে থাকা অবস্থায় নেতার কাজটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং। সেজন্যই গিলের আসল পরীক্ষা এখন শুরু হচ্ছে।’

Advertisement

অধিনায়ক হিসেবে সতীর্থদের কাছে কী চান, দলের সামনে তা ঠিকঠাক বুঝিয়ে দেওয়াও গিলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে জানিয়েছেন গ্রেগ। তাঁর মতে, ‘ভারত দল হিসেবে কেমন ক্রিকেট খেলবে, সেটা ওকেই ঠিক করতে হবে। ম্যাচের টোন বেঁধে দেওয়া অধিনায়কেরই কাজ। শুধু কথায় নয়, কাজেও এটা করতে হবে। সে জন্য স্বচ্ছ চিন্তাভাবনার প্রয়োজন। একটা মান নির্ধারণ করাও অত্যন্ত জরুরি বিষয়। মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখা আবশ্যক। আবার ফিল্ডিংয়ের ক্রমোন্নতির দিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে ক্যাপ্টেনকে। সেরা দলগুলো তুখোড় ফিল্ডিং করে। তারা সহজে রান দেয় না, ক্যাচও ফেলে না।’ কোন ক্রিকেটারদের নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, তা গিলকেই বেছে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ। গ্রেগের বক্তব্য, ‘যাদের দলে নেওয়া হচ্ছে, তাদের উপর পূর্ণ আস্থা রাখা উচিত। কোন ক্রিকেটারদের উপর ভরসা করা যায়, সেটা বেছে নিক গোড়াতেই। গেমপ্ল্যান তৈরি করে তা প্রত্যেককে বুঝিয়ে দিক গিল। মাঠে সবাই যেন নিজের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত থাকে।’
অধিনায়ক হিসেবে সাফল্য পাওয়ার অন্যতম শর্ত সতীর্থদের সঙ্গে ভালো বোঝাপড়া। গিলকে সেই আপ্তবাক্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে গ্রেগ বলেন, ‘গ্রেট ক্যাপ্টেনরা খুব ভালোভাবে খেলোয়াড়দের কাছে নিজের বক্তব্য মেলে ধরতে পারে। গিলকেও সেই দক্ষতার পরিচয় রাখতে হবে। এমনভাবে বক্তব্য রাখতে হবে, যাতে দলের সদস্যদের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করা যায়। ব্যাটসম্যানদের বলা হোক, বড় জুটি গড়তে। সেট ব্যাটার যেন বড় ইনিংস খেলে। আর বোলারদের বলতে হবে, প্রতিপক্ষের উপর ক্রমাগত চাপ তৈরি করতে। তাহলেই বিপক্ষ ব্যাটার ভুল করবে। এটা কোনও জাদু নয়, বরং একটা কার্যকরী পদ্ধতি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ