Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজো ‘কভার’ করতে মহানগরে বিদেশি মিডিয়া!

বাংলার দুর্গাপুজোর উৎকর্ষ এখন আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছে। খোদ ইউনেস্কো দুর্গাপুজোকে দিয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শিরোপা।

পুজো ‘কভার’ করতে মহানগরে বিদেশি মিডিয়া!
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাহুল চক্রবর্তী, কলকাতা: বাংলার দুর্গাপুজোর উৎকর্ষ এখন আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছে। খোদ ইউনেস্কো দুর্গাপুজোকে দিয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শিরোপা। স্বাভাবিক কারণেই দুর্গাপুজো নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের। সেই সূত্রেই এবার দুর্গাপুজো ‘কভার’ করতে কলকাতায় আসছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম। আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স থেকে শুরু করে সেই তালিকায় আছে  পর্তুগাল, স্পেন, জার্মানি সহ বিভিন্ন দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিনিধিরা এবার কলকাতার প্রায় ৫০টি দুর্গাপুজো ঘুরে দেখবেন। দুর্গাপুজো নিয়ে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা, উদ্যোক্তাদের কর্মতৎপরতা, পুজোর আয়োজন, থিম, আলোকসজ্জা, প্রতিমা, সর্বোপরি উৎসবমুখর মানুষের খাওয়াদাওয়া—সবটাই নোটবুক বা ক্যামেরায় ধরে রাখবেন তাঁরা। কলকাতা সফর সেরে তাঁদের অভিজ্ঞতা তাঁরা যে যাঁর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করবেন। 

Advertisement

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মহালয়া। এপার ষষ্ঠী পড়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর। হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি এখন শেষ মুহূর্তে রয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় চলছে মণ্ডপ তৈরির কাজ। প্রতিমাতে রঙের পোচ আগেই পড়েছে। দ্রুত শেষ করা হচ্ছে বাকি কাজগুলি। কুমোরটুলিতে ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। এই অবকাশে কলকাতার দুর্গাপুজো তথা শারদোৎসবের সাক্ষী থাকতে শহরে আসছেন বিদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিক এবং চিত্র সাংবাদিকরা। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিসর্জন পর্যন্ত তাঁরা বিভিন্ন প্রান্তের দুর্গাপুজো দেখবেন। একাদশী মিটলে তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন। এখনও পর্যন্ত যেটুকু জানা গিয়েছে, কানাডা থেকে আসছে লা প্রেসে নামক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। তাঁদের কলকাতা সফরের বিষয়ে ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রক থেকে ছাড়পত্রও মিলে গিয়েছে বলে খবর। স্পেন থেকে ই আই মুন্ডো সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা আসছেন। ইউএসএ থেকে আসছেন নেপা ভ্যালি সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ‘ইন্টারন্যাশনাল জুরি অ্যাওয়ার্ড’-এর আয়োজক জয়দীপ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গোটা বিশ্বে দুর্গাপুজোকে তুলে ধরাই আমার প্রধান লক্ষ্য। বিশ্ববাসী আরও বেশি করে জানুক বাংলার দুর্গাপুজোর আবেগ, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মেলবন্ধনের ইতিহাস।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ