কালীপুজোর পরেই জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলনে নামবে শ্রমিক-কৃষকরা, আজ পালটা পদযাত্রা বিজেপির
  • ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কালীপুজো পর্যন্তই চরম সময়সীমা। দীপাবলির পরই পুরোদমে দেশব্যাপী জ্ঞানেশ কুমার বিরোধী আন্দোলনে নামতে চলেছে সর্বভারতীয় শ্রমিক এবং কৃষক সংগঠনগুলি। মোদি সরকার বিরোধী সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির সম্মিলিত মঞ্চ ‘সংযুক্ত কিষান মোর্চা’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে সারা দেশেই প্রতিবাদ আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা। এবার এই কর্মসূচির সঙ্গে যোগ হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি। তবে এরই সঙ্গে কৃষকদের অন্যান্য এজেন্ডাও থাকতে চলেছে কর্মসূচিতে। সেইসব এজেন্ডার মধ্যে অন্যতমই হল, ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যকে (এমএসপি) আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি। 

Advertisement

মোদি সরকার বিরোধী কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, বছরের পর বছর কেটে গেলেও কৃষক স্বার্থে কোনো লিখিত প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি মোদি সরকার। এমনকি এসআইআরে কারচুপি করে ভোট চুরির মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও জ্ঞানেশ কুমারকে সরানো পর্যন্ত হচ্ছে না। এরই পাশাপাশি সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, আগামী ১ ডিসেম্বর একই দাবিতে সংসদ ভবন চলো অভিযানে শামিল হবে তারা। এর নেতৃত্বে থাকবে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু। অন্যদিকে, মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের সদর কার্যালয় অজয় ভবন থেকে আইটিও মোড় পর্যন্ত মানব-বন্ধন করে সিপিআই। তাদের দাবি, অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। এর সঙ্গে অন্য কোনো কিছু আপস করা হবে না। বিক্ষোভ মিছিলও করে সিপিআই। সেখানে অংশ নিয়েছিলেন সিপিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ডি রাজা, দলের শীর্ষ নেত্রী অ্যানি রাজা সহ অন্যান্যরা। 
সোমবারের মতো মঙ্গলবারও ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাই-ই। এর সঙ্গে ইভিএম বাতিলের দাবিও যুক্ত করা হচ্ছে। অবিলম্বে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে কেন্দ্রকে। পরিবর্তে আগের মতো ব্যালট পেপারে নির্বাচন করাতে হবে। সিজেপি সূত্রের খবর, সম্ভবত দীপাবলির পর ফের বড়োসড়ো আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দিতে পারে ককরোচরা। এমন প্রেক্ষাপটে আজ, বুধবার বিরোধীদের পালটা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিজেপি। লালকেল্লা থেকে চাঁদনি চক পর্যন্ত মিছিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পদ্মপার্টি। সেখানে অংশ নিতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।