Bartaman Logo
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বর্তমান’-এর খবরের জের, মিলবে মিড ডে মিলের টাকা, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

বর্তমানের খবরের জের। চার মাস পর মিড ডে মিলের প্রাপ্য টাকা পেতে চলেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়গুলি।

‘বর্তমান’-এর খবরের জের, মিলবে মিড ডে মিলের টাকা, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: বর্তমানের খবরের জের। চার মাস পর মিড ডে মিলের প্রাপ্য টাকা পেতে চলেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়গুলি। রবিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খড়্গপুর গ্রামীণে বিজেপির প্রশিক্ষণ শিবির শেষে একথা জানিয়েছেন। সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, পিএম পোষণ বা মিড ডে মিল প্রকল্পের টাকা পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই স্কুলগুলির কাছে যাতে টাকা পৌঁছে যায় সেই সংক্রান্ত কাজ করছেন আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন জেলার সরকার পোষিত স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা। গত মে মাস থেকে অর্থাৎ ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই মিড ডে মিলের বরাদ্দ টাকা পশ্চিম মেদিনীপুর সহ বেশ কয়েকটি জেলায় পৌঁছায়নি। টানা চার মাস ধরে ধার করেই মিড ডে মিল চালাচ্ছিলেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অবিলম্বে টাকা না পেলে সেপ্টেম্বর মাস থেকে মিড ডে মিল চালানো সম্ভব হবে না বলেও জানিয়েছিলেন জেলার একাধিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সম্প্রতি ‘বর্তমান’-এ এই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। তারপরই নড়েচড়ে বসে রাজ্যের শিক্ষাদপ্তর। সূত্রের খবর, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী নিজে এবিষয়ে পদক্ষেপ নেন। রবিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পোর্টালের একটা সমস্যা ছিল। সমাধান করা হয়েছে। চারদিন আগেই পিএম পোষণের চার মাসের টাকা এবং রাঁধুনিদের টাকা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ এরপরই সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলায় টাকা এসে পৌঁছেছে। তবে, স্কুলের হাতে টাকা পৌঁছাতে আরও দু’-একদিন লাগতে পারে।

Advertisement

মেদিনীপুরের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত বলেন, মিড ডে মিলের পোর্টালের সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্যই টাকা পেতে দেরি হচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই প্রাথমিকে বিদ্যালয়ে পড়ুয়া পিছু মিড ডে মিলের খরচ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০টাকা করা হয়েছে। সেই টাকা আগস্ট মাস থেকে পাওয়ার কথা। তবে তার আগে চার মাসের বকেয়া অর্থ মেলার খবরে স্বস্তির পেয়েছেন জেলার বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মেদিনীপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাভবনের প্রধান শিক্ষক স্বামী দিব্যনিষ্ঠানন্দ মহারাজ বলেন, পড়ুয়াদের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, মূল্যবৃদ্ধির এই বাজারে ধার করে মিড ডে মিল চালানো সত্যিই দুষ্কর হয়ে উঠছিল। আশা করছি দ্রুত স্কুলের হাতে মিড ডে মিলের টাকা পৌঁছে যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ