Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফুলের দামে আগুন! কুঁড়ি দিয়েই পলাশপ্রিয়ার বন্দনা

সরস্বতী পুজোর আগে সাধারণত শীতের আড়ষ্টতা কাটিয়ে আবহাওয়ায় কিছুটা গরমের অনুভূতি ফেরে। কিন্তু এবার আবহাওয়ায় সেই লক্ষণ উধাও।

ফুলের দামে আগুন! কুঁড়ি দিয়েই পলাশপ্রিয়ার বন্দনা
  • ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: সরস্বতী পুজোর আগে সাধারণত শীতের আড়ষ্টতা কাটিয়ে আবহাওয়ায় কিছুটা গরমের অনুভূতি ফেরে। কিন্তু এবার আবহাওয়ায় সেই লক্ষণ উধাও। ফলে গাছে গাছে কুঁড়ি এলেও, এখনও সেভাবে ফোটেনি পলাশ। পরিস্থিতি যা, তাতে এবার পলাশপ্রিয়ার বন্দনায় পলাশের কুঁড়ি নিবেদন করেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ভক্তকুলকে।

Advertisement

দেবী সরস্বতীর বন্দনায় পলাশ ফুল দরকার। কিন্তু এবার বাজারে দেখা নেই, প্রস্ফুটিত পলাশ ফুলের। পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ, শুক্রবার বসন্ত পঞ্চমী হলেও অনেকেই বলছেন পুজো এবার অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। অন্যান্য বছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে পুজো হয়। কিন্তু এবার জানুয়ারি শেষ হওয়ার আগেই পুজো। ফলে শীতের রেশ না কাটায় কুঁড়ি থেকে পলাশ ফুল সেভাবে ফোটেনি। স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর- সর্বত্র ফুল বাজারগুলিতে বিক্রি হচ্ছে শুধু পলাশের কুঁড়ি। তার দামও চড়া। কোথাও হাতে গোনা পলাশ ফুল মিললেও দাম অনেক। রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজারে দুটি পলাশ ফুলের দাম ৫০ টাকা।

উত্তর দিনাজপুর জেলার উদ্যানপালন আধিকারিক সুমন কর বলেন, শীত এখনও রয়েছে। আবহাওয়ায় গরমের বিন্দুমাত্র লেশ নেই। পলাশ ফোটার জন্য হালকা হলেও গরমের আমেজ যথেষ্ট প্রয়োজনীয়। যার ফলে বাজার জুড়ে শুধু পলাশের কুঁড়ি বিকোচ্ছে। ফুলের সেভাবে দেখা মিলছে না।

রায়গঞ্জ শহরের মোহনবাটি বাজার, দেবীনগর বাজার, কলেজপাড়া বাজারে দেদার বিকোচ্ছে পলাশের কুঁড়ি। তার দামও চড়া। দু-তিনটি পলাশ কুঁড়ির দাম ১০ টাকা। ফুল ব্যবসায়ী সজল বসাক, দিপালী সরকারদের বক্তব্য, ১০০ গ্রাম পলাশের দাম ১০০ টাকা। দু-একটি জায়গায় প্রস্ফুটিত পলাশ বিক্রি হচ্ছে অনেকটাই বেশি দামে। দুটি পলাশ ফুলের দাম ৫০ টাকা।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর, বুনিয়াদপুর, হরিরামপুর ও কুশমণ্ডির বাজারগুলিতেও একই ছবি। প্রায় ১০০ গ্রাম পলাশের কুড়ি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। ফুল বিক্রেতাদের দাবি, এবছর সরস্বতী পুজো প্রায় ২৫ দিন এগিয়ে আসায় পলাশ সেভাবে ফোটেনি। গঙ্গারামপুরের সর্বজিৎ গুহ বলেন, এখন পলাশের কুঁড়ি পাওয়াটাই ভাগ্যের ব্যাপার। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ