নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরুগামী স্পাইসজেটের এসজি৬৪৮ বিমান ছাড়ার কথা ছিল। সেই বিমান ছাড়ে দুপুর ৩টা ২৯ মিনিটে। তার জেরে তুমুল যাত্রী বিক্ষোভ হয় কলকাতা বিমানবন্দরে। যাত্রীদের অভিযোগ, বিমান ছাড়তে বিলম্বের আগাম খবর বিমান সংস্থার তরফে জানানো হয়নি।
বিমান ছাড়ার নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই বিমানবন্দরে চলে আসেন যাত্রীরা। সাতসকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দরে এসে যাত্রীরা জানতে পারেন, তাঁদের বেঙ্গালুরুগামী বিমান সময়মতো ছাড়তে পারছে না। কেন ছাড়তে দেরি, কখন ছাড়বে—এই তথ্য বিমান সংস্থার তরফে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। স্পাইসজেটের ডিউটি ম্যানেজারের মোবাইলে ফোন করা হলে, তা বেজে গিয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। আবার দীর্ঘসময় ধরে ডিউটি মোবাইল ‘ব্যস্ত’ ছিল বলে যাত্রীদের অভিযোগ। এমনকি স্টেশন ম্যানেজারকে ফোন করা হলে, তাঁর মোবাইল বেজে গিয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের এই ক্ষোভ আছড়ে পড়ে এয়ারপোর্ট ম্যানেজারের অফিসে। যাত্রীরা এসে বিক্ষোভ দেখান সেখানে। পরে বিমানবন্দরের উচ্চপদস্থ কর্তারা এসে ডিজিসিএ’কে ফোন করে গোটা বিষয়টি জানান। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবারও স্পাইসজেটের বিমান নির্দিষ্ট সময়ে রওনা হয়নি। এয়ারপোর্ট ম্যানেজারকে ঘেরাও করে যাত্রীরা বিক্ষোভ দেখান। বিমানবন্দরের এক উচ্চপদস্থ কর্তার দাবি, এয়ারলাইন্স বা বিমান সংস্থার গাফিলতির দায় কেন এয়ারপোর্ট ম্যানেজারের উপর আসবে? বিমান সংস্থা ভুল করে থাকলে, তার দায়ভার তাদেরকেই নিতে হবে। ডিউটি মোবাইল এবং স্টেশন ম্যানেজার ফোন না তুলে চরমতম গাফিলতি করেছেন।



