Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২৫ দিনে চেয়ারম্যান সহ ধৃত পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলার, তালিকায় আরও কয়েকজন

বিধাননগরে ২৫ দিনে ৫ তৃণমূল কাউন্সিলার গ্রেপ্তার হয়েছে। তদন্ত চলছে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে। রাজনীতিতে জোর জল্পনা। বিস্তারিত পড়ুন।

২৫ দিনে চেয়ারম্যান সহ ধৃত পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলার, তালিকায় আরও কয়েকজন
  • ১১ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: রাজ্যে পালাবদলের পর বিধাননগরে একের পর এক গ্রেপ্তার হচ্ছেন তৃণমূল কাউন্সিলার। ১৫ মে থেকে ৮ জুন, এই ২৫ দিনে চেয়ারম্যান সহ ৫ তৃণমূল কাউন্সিলার গ্রেপ্তার। তালিকায় আরও কয়েকজন রয়েছেন। বলা ভালো ‘ওয়েটিং’য়ে রয়েছেন। কারণ দু’জন মেয়র পারিষদ সহ চারজন কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে তিনটি থানায় এফআইআর রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে। আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ হওয়ার পথে। সবমিলিয়ে বিধাননগরে এখন জোর রাজনৈতিক জল্পনা চলছে—এবার কে?

Advertisement

বিধাননগর পুরসভায় রয়েছে ৪১টি ওয়ার্ড। ৪১ কাউন্সিলারই তৃণমূলের। পালাবদলের পর বেশিরভাগ কাউন্সিলারই ‘বেপাত্তা’। মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী পদত্যাগ করলেও পরবর্তী মেয়র গঠনের জন্য কোনো মিটিংই করতে পারেননি বাকি কাউন্সিলাররা। ফলে পুরবোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। এক প্রমোটারকে মারধরের অভিযোগে ১৫ মে বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী ওরফে চিন্টুকে গ্রেপ্তার করে বাগুইআটি থানা। তিনিই প্রথম গ্রেপ্তার। এরপর ১৮ মে তোলাবাজির অভিযোগে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুশোভন মণ্ডল ওরফে মাইকেল গ্রেপ্তার হন বাগুইআটি থানার হাতে। তোলাবাজির অভিযোগে ২০ মে সল্টলেকের বিধাননগর উত্তর থানা গ্রেপ্তার করে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান রঞ্জন পোদ্দারকে। ২২ মে তোলাবাজির অভিযোগে বাগুইআটিতে গ্রেপ্তার হন সম্রাট বড়ুয়া ওরফে রাখাল। শেষ সংযোজন ৮ জুন। পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান, প্রাক্তন মেয়র, দু’বারের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। তিনিও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিধাননগর উত্তর থানার হাতে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্যসাচীর ঘটনায় বেশ কিছু নথিপত্র পুলিশের হাতে এসেছে। বাকি ঘটনার তদন্ত চলছে। বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী এবং বরো চেয়ারম্যান মণীশ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও এফআইআর হয়েছে বাগুইআটি থানায়। এক প্রমোটার তাঁদের দু’জনের বিরুদ্ধেই তোলাবাজির অভিযোগ তুলে ২২ মে বাগুইআটি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এক যুবককে ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বিধাননগর পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার প্রবীর সর্দারের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের হয় ১৭ মে। এই সব অভিযোগের তদন্ত চলছে। আরও এক মেয়র পারিষদ তুলসি সিনহা রায়ের বিরুদ্ধেও ১৯ মে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছে বিধাননগর উত্তর থানায়। ওই ঘটনায় তুলসিদেবীর স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবার কার কপালে গ্রেপ্তারের খাঁড়া ঝুলছে? বিধাননগরজুড়ে চলছে সেই চর্চা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ