নয়াদিল্লি: বুধবার ভোর। তখনও ঠিকমতো ঘুম ভাঙেনি দিল্লির বাসিন্দা ৬০ বছরের তানবীর আহমেদের। আচমকাই বেজে ওঠে তাঁর মোবাইল। মোবাইলটি ধরতেই ফোনের ওপার থেকে অচেনা কণ্ঠ জানায়, ‘গাড়ি দুর্ঘটনায় আপনার পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।’ একথা শোনার পর বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন তিনি। জীবনের সবথেকে দুঃখজনক কলটি সেদিন সকালেই পেয়েছিলেন তিনি। বুধবার ভোরে গাড়ি করে উত্তরপ্রদেশের বদাউন থেকে দিল্লি ফিরছিল তানবীরের পরিবার। সকাল ৫টা ৫০ মিনিট নাগাদ জাহাঙ্গিরবাদ-বুলন্দশহর সড়কের চান্দুক গ্রামের কাছে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কালভার্টে ধাক্কা মারেন। গাড়িটি পাল্টি খেয়ে রাস্তা থেকে নীচে পড়ে যায়। তারপর আগুন ধরে যায়। গাড়িতে থাকা তানবীরের ছেলে, মেয়ে, নাতি ও পুত্রবধূ সহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যান ১৫ বছরের মেয়ে গুলনাজ। তাঁর ফোন থেকেই তানবীরের কাছে ফোনটি করেছিলেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। গাড়ির চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান।



