Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শহরে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগ, দোষী সাব্যস্ত জেএমবির পাঁচ জঙ্গি, আসামিদের মধ্যে চারজন খাগড়াগড় কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত

২০১৬ সালে কলকাতায় নাশকতা ঘটানোর চেষ্টার এক মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ জেএমবি জঙ্গিকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত।

শহরে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগ, দোষী সাব্যস্ত জেএমবির পাঁচ জঙ্গি, আসামিদের মধ্যে চারজন খাগড়াগড় কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত
  • ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১৬ সালে কলকাতায় নাশকতা ঘটানোর চেষ্টার এক মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ জেএমবি জঙ্গিকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। তাদের মধ্যে চারজনই বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের মামলায় জেল খাটছে এখন। মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রার বিশেষ আদালতের বিচারক রোহন সিনহা নাশকতার চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আজ, বুধবার সাজা ঘোষণা হবে। তবে প্রমাণের অভাবে এক অভিযুক্তকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস করে দেন বিচারক। তার নাম আব্দুল কলিম। সে খাগড়াগড় কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এদিন যে পাঁচ অভিযুক্তকে আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে, তারা হল সাহিদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, জাহিরুল ইসলাম, মহম্মদ রুবেল ও মৌলানা ইউসুফ শেখ। যদিও তারা বার বার দাবি করে যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাদের আইনজীবী মহম্মদ শাহজাহান হোসেন বলেন, ‘সাজার মেয়াদ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।’ 

Advertisement

কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য সরকারি আইনজীবী দীপঙ্কর কুণ্ডু ও এই মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত চক্রবর্তী বলেন, ২০১৬ সালে অভিযুক্তদের অসম, বনগাঁ, বসিরহাট থেকে পাকড়াও করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। ধৃতদের হেপাজত থেকে উদ্ধার হয় বিভিন্ন জাল নথি, কলকাতার মানচিত্র, বিস্ফোরক সহ নানা সামগ্রী। পুলিসি জেরায় জানিয়েছিল, তারা শহরে নাশকতা ঘটানোর চেষ্টায় ছিল। এই মামলায় পুলিশ তদন্ত শেষ করে ধৃতদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা, ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারায় চার্জশিট পেশ করে। পরে চার্জ গঠন করে শুরু হয় মূল মামলার বিচার। সাক্ষ্য দেন ১৫ জন। দীর্ঘ শুনানি শেষে এদিন বিচারক ছ’জন অভিযুক্তের মধ্যে পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, যে পাঁচজন জেএমবি জঙ্গি এদিন দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে খাগড়াগড় কাণ্ডে চারজনকে সাজা দিয়েছিল কলকাতা নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারকের আদালত। সেই মামলার তদন্ত করেছিল এনআইএ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ