


সম্প্রতি বেশ কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সেলিব্রিটি ও খেলোয়াড়দের হাতে দেখা যাচ্ছে ফিটনেস ব্যান্ড। সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের মধ্যে এই ধরনের ব্যান্ড নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। ইদানীং স্মার্ট ওয়াচের বদলে এই ব্যান্ডের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী।
কী এই ব্যান্ড?
এই ব্যান্ডে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শরীরের খুঁটিনাটি তথ্যে। ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠা এবং দৈনিক ঘাম ঝরানোর সঠিক বিশ্লেষণ সব জানিয়ে দেয় এই গ্যাজেট।
একটিই যন্ত্রে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন থেকে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা, সারাদিনে কত পা হাঁটলেন, কতটা ক্যালোরি পুড়ল সবটাই ধরা পড়ে। ঘড়ির মতো দেখতে হলেও এই ব্যান্ডে কোনও স্ক্রিন নেই। এর কাজ নিরন্তর শরীরের আভ্যন্তরীণ ডেটা সংগ্রহ করা ও তা বিশ্লেষণ করে জানানো শরীর ঠিক কোন অবস্থায় আছে। খেলোয়াড়, রাজনীতিবিদ থেকে সেডেন্টারি লাইফস্টাইলে অভ্যস্ত অনেকেই এই ব্যান্ড ব্যবহার করছেন।
হেলথ ব্যান্ডের সুবিধা
হার্ট রেট, শ্বাসের হার, অক্সিজেন স্যাচুরেশন, ত্বকের তাপমাত্রা, কী ডায়েট সেদিন প্রয়োজন, কতটুকু জল দরকার, কখন জল খেতে হবে, কখন ল্যাপটপে ছেড়ে একটু হেঁটে আসা দরকার, ঠিক কখন কী ধরনের ব্যায়াম শরীর চাইছে ও কখন বিশ্রাম প্রয়োজন, কতটা শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ছে, ঠিক কতক্ষণ ঘুমালে সেই চাপ কাটানো সম্ভব ইত্যাদি পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব একজন পার্সোনাল গাইডের মতো করে জানান দেয় এই ব্যান্ড। এমনকী, ঘুমের কোন পর্যায়ে কতক্ষণ ছিলেন, কীভাবে ঘুম আরো উন্নত হবে সেসব নিয়েও এই ব্যান্ড গাইড করে।
কেমন দাম?
১ হাজার টাকা থেকে দাম শুরু। নানা রেঞ্জে এই ব্যান্ড পাওয়া যায়। তবে সব ধরনের পরিষেবা মেলে এমন ব্যান্ডের দাম স্বাভাবিক ভাবেই কিছুটা বেশি।
মনীষা মুখোপাধ্যায়