Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মশা নিধনে নতুন প্রজাতির গাপ্পি মাছ ছাড়বে মৎস্য দপ্তর

বর্ষা মানেই ডেঙ্গুর আতঙ্ক। মশা রোধে প্রশাসনের অন্যতম হাতিয়ার গাপ্পি মাছ। নালা-নর্দমায় গাপ্পি মাছ ছেড়ে, মশার লার্ভা নষ্ট করার উদ্যোগ নেয় বিভিন্ন পুরসভা ও পঞ্চায়েত।

মশা নিধনে নতুন প্রজাতির গাপ্পি মাছ ছাড়বে মৎস্য দপ্তর
  • ১৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বর্ষা মানেই ডেঙ্গুর আতঙ্ক। মশা রোধে প্রশাসনের অন্যতম হাতিয়ার গাপ্পি মাছ। নালা-নর্দমায় গাপ্পি মাছ ছেড়ে, মশার লার্ভা নষ্ট করার উদ্যোগ নেয় বিভিন্ন পুরসভা ও পঞ্চায়েত। এবার কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত প্রজাতির গাপ্পি মাছ তৈরি করল মৎস্য দপ্তর। দপ্তরের মতে, এই মাছ নালা বা নর্দমার জলে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে সক্ষম। যার ফলে অনেক বেশি মশার লার্ভা নিধন সম্ভব হবে।  

Advertisement

গাপ্পি মাছ সাধারণত বেসরকারি সংস্থা থেকে কেনে প্রশাসন। এর জন্য মৎস্য দপ্তরের উপর ভার দেয় পঞ্চায়েত দপ্তর। কিন্তু এবার থেকে বেসরকারি সংস্থার উপর সম্পূর্ণ ভরসা না করে নিজেরাই গাপ্পি মাছ চাষের উদ্যোগ নিচ্ছে মৎস্য দপ্তর। তারই ফল নতুন প্রজাতির গাপ্পি। আগামী দিনে গাপ্পি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে এই পদক্ষেপ করছে তারা। মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, গাপ্পির দু’টি ধরন বা ভ্যারাইটির মধ্যে প্রজননের মাধ্যমে উন্নত প্রজাতির একটি ধরন তৈরি হয়েছে। এতে মাছগুলির টিকে থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। 
উল্লেখ্য, মৎস্য দপ্তরের হাতে নিজস্ব ১৬টি বৃহৎ প্রকল্প রয়েছে। সেখানে নিজস্ব জলাধারে হরেক মাছ চাষ করা হয়। দপ্তর নিজের তত্ত্বাবধানে সেই চাষ করে থাকে। তারই অন্যতম পূর্ব কলকাতার নলবন প্রকল্প। সেখানেই চলতি বছরে ৫০ লক্ষ গাপ্পি মাছ চাষের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দপ্তরের কর্তাদের দাবি, এই প্রথম সরকারি তত্ত্বাবধানে গাপ্পি মাছ চাষ হচ্ছে এখানে। মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী বলেন, আমরা এ বছরই নলবনের প্রকল্প থেকে ৫০ লক্ষ গাপ্পি মাছ সরবরাহ করব। আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই যাবতীয় বন্দোবস্ত সেরে ফেলেছেন। দপ্তরের কর্তারা জানিয়েছেন, বাইরে থেকে কেনার বদলে নিজেরা গাপ্পি মাছের চাষ করলে দামের দিক থেকে অনেকটাই সস্তা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ