Bartaman Logo
৮ আগস্ট, ২০২৬

‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬’, হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সূত্র ধরে নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের পর্দাফাঁস

গতবছর নভেম্বর মাস। আট পড়ুয়ার একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ তৈরি হয়েছিল। নাম— ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬। আর সেই গ্রুপের সূত্র ধরেই নিটের প্রশ্নফাঁসের পর্দা ফাঁস করল সিবিআই।

‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬’, হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সূত্র ধরে নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের পর্দাফাঁস
  • ৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: গতবছর নভেম্বর মাস। আট পড়ুয়ার একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ তৈরি হয়েছিল। নাম— ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬। আর সেই গ্রুপের সূত্র ধরেই নিটের প্রশ্নফাঁসের পর্দা ফাঁস করল সিবিআই। গ্রুপ থেকে পাওয়া তথ্যের কাটাছেঁড়া করে প্রশ্নফাঁসের মূলচক্রী পি ভি কুলকার্নি ও মনীষা মানধারের কাছে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। খুব সহজেই ‘মোডাস অপারেন্ডি’ ধরে ফেলেন তদন্তকারীরা। সিবিআই সূত্রে এমনই জানা গিয়েছে।

Advertisement

চলতি মাসের শুরুতে দিল্লির আদালতে ২০ হাজার পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, এই হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ তৈরি ও নামকরণের নেপথ্যে ছিলেন পুনের বাসিন্দা মনীষা মানধারে। সেখানে নিটের বিভিন্ন বিষয়ের ক্লাস, সময়সূচি, নিটের উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতি সহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হত। এরইমাঝে সামনে আসে তৃতীয় অভিযুক্ত মনীষা ওয়াঘমারে। 
পুনের ওই বিউটিশিয়ান পড়ুয়া জোগাড়ের দায়িত্বে ছিলেন। ধীরে ধীরে গ্রুপে সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে। সেখানে এনটিএ-র সঙ্গে যুক্ত কুলকার্নি ও মানধারে রসায়ন বিদ্যা ও উদ্ভিদবিদ্যা পড়াতেন। ক্লাস চলাকালীন তাঁরা পড়ুয়াদের পাঠ্য বইয়ে কিছু নির্দিষ্ট অংশ দাগিয়ে দিতেন। একইসঙ্গে কিছু প্রশ্নও বলে দিতেন। 
তদন্তে জানা গিয়েছে, মানধারে ও কুলকার্নি ক্লাসে যে সমস্ত প্রশ্ন আলোচনা করেছিলেন, পরীক্ষায় হুবহু সেই প্রশ্নগুলিই আসে। এর ভিত্তিতেই মানধারে ও কুলকার্নিকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ