নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মার আরাধনায় বুধবার সকাল থেকেই উৎসবের আমেজে ভরে ওঠে কৃষ্ণনগরের নদীয়া ডিভিশন হাউজিং ডিরেক্টরেট অফিস প্রাঙ্গণ। রঙিন আলোর ঝলকে সেজে ওঠে অফিস ভবন। সকাল থেকে ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি ও মানুষের কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। কর্মচারী থেকে শুরু করে ঠিকাদার সংস্থার সদস্য এবং আশেপাশের এলাকার মানুষ— সকলে মিলেমিশে পুজোর আনন্দে শরিক হন। এ বছর নবম বর্ষে পদার্পণ করল এই বিশ্বকর্মা পুজো। ২০১৭ সালে ডিভিশনের যাত্রা শুরুর পর থেকেই ধুমধাম করে এই পুজোর আয়োজন হয়ে আসছে। কর্মচারীদের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা নানা প্রতিকূলতা কোনোদিনই তাদের উৎসাহকে দমাতে পারেনি। আশ্বিন মাসের শুরুতে এই পুজো দুর্গাপুজোর আগমনের পূর্বাভাস হিসেবে ধরা হয়। এবারের পুজোতে সবচেয়ে বড় চমক ছিল শিশুদের সৃজনশীলতা। কুলো, থার্মোকল, রঙিন বেলুন আর কাগজের ফুল দিয়ে বাচ্চারা নিজেরাই পুজোর মণ্ডপ তৈরি করে। তাদের নিষ্ঠা এবং আনন্দে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে গোটা পরিবেশ। উপস্থিতদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়। উদ্যোক্তা কৌশিক হালদার জানান, প্রতি বছরই আমাদের পুজো সাড়ম্বরে হয়। এবছরও সকলে মিলে মন দিয়ে মণ্ডপ সাজিয়েছি। দিনটি আমরা আনন্দে কাটাতে চাই, এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। কর্মচারী ও স্থানীয় মানুষের মিলনমেলায় নদীয়া ডিভিশন হাউজিং ডিরেক্টরেটের বিশ্বকর্মা পুজো এবার এক নতুন মাত্রা পেয়েছে।



